হোম > কর্পোরেট

কক্সবাজার বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

আমার দেশ অনলাইন

কক্সবাজার বিমানবন্দরে যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় বিমানবন্দরের ডিপার্চার লাউঞ্জে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ গণশুনানির আয়োজন করে।

গত বছরের ০২ জুলাই তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভায় সকল মন্ত্রণালয় ও তাদের আওতাধীন দফতর/সংস্থাসমূহে মাসিক ভিত্তিতে গণশুনানি আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সিদ্ধান্তের আলোকে বেবিচকের উদ্যোগে কক্সবাজার বিমানবন্দরে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব ও বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের সদস্য (এটিএম) এয়ার কমডোর মোঃ নূর-ই-আলম, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এটিসি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ নুরুল হুদা। এছাড়া বেবিচকের পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপসচিব মোঃ সানিউল ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক (রুঃদাঃ) মোঃ গোলাম মোর্তজা হোসেন।

গণশুনানিতে বিমানবন্দর ব্যবহারকারী যাত্রীসাধারণ, বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিসহ ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার অংশগ্রহণ করেন। যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত, পরামর্শ ও অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান উন্নয়নই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

আলোচনায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, ফ্লাইট সময়সূচি ব্যবস্থাপনা, অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং তথ্যপ্রাপ্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাত্রীদের প্রবেশ ও বহির্গমন প্রক্রিয়া, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, চেক-ইন কাউন্টার ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা, শৌচাগার ও ওয়েটিং লাউঞ্জের মান, খাবার ও পানির মূল্য ও গুণগত মান, পার্কিং সুবিধা এবং যাত্রী তথ্য প্রদর্শন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এছাড়া ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বের ক্ষেত্রে যাত্রীদের পূর্ব অবহিতকরণ, এয়ারলাইন্স প্রতিনিধিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং গ্রাহকসেবা ডেস্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার, অভিযোগ ব্যবস্থাপনা সেল আরও সক্রিয় করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেবা সহজলভ্য করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

গণশুনানিতে কক্সবাজার বিমানবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন, রানওয়ে ও এপ্রোন ব্যবস্থাপনা, ফায়ার ও রেসকিউ প্রস্তুতি, জরুরি পরিস্থিতিতে সমন্বিত কার্যক্রম, পরিবেশবান্ধব বিমানবন্দর গড়ে তোলা এবং জনবলের দক্ষতা উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিমানবন্দর ও আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণ পরিকল্পনা নিয়েও গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপস্থিত যাত্রীসাধারণের দেওয়া মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের গণশুনানি বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা অনুষ্ঠিত

যমুনা ব্যাংকে আইএফআরএস-৯ ‘ইসিএল’ বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

উদযাপন ও নীতিগত সংলাপে অনুষ্ঠিত হলো বেসিস আইটি এক্সপোটার্স নাইট

বিআরটিসি ও ভিশনস্প্রিং এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৩তম সমাবর্তন উদযাপন

ডিজিটাল পেমেন্ট ও পেপারলেস কার্যক্রমের পথে বড় পদক্ষেপ

রূপালী ব্যাংকের ঢাকা দক্ষিণ-পশ্চিম জোনাল অফিস উদ্বোধন

বাংলাদেশে ডটবিডি সেকেন্ড লেভেল ডোমেইন ও আধুনিক রিসেলার সিস্টেম চালু

যশোর বিমানবন্দরে এয়ারপোর্ট সিকিউরিটি এক্সারসাইজ ২০২৬ অনুষ্ঠিত

দেশের খাঁটি খামারিদের সম্মাননা দিচ্ছে ‘প্রাণ দুধ’