রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন মুকুলের মা ফরিদা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার বাদ জোহর রাজধানীর গুলশানের আজাদ মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিজ বাসভবনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি চার ছেলে, নাতি-নাতনি এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল বলেন, ১৫ বছর বয়সে বাবা হারিয়েছি। সেই সময় থেকে মা-ই ছিলেন আমাদের অভিভাবক। উনার জন্যই আমরা চার ভাই আজও একসঙ্গে আছি।
মায়ের স্মৃতিচারণ করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, যেখানেই থাকতাম, প্রতিদিন মায়ের কাছে হাজিরা দিতাম। তিনি আমাকে আদর করতেন, চুমু দিতেন। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। আমার মায়ের কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তাকে ক্ষমা করে দেবেন।
তিনি সবার কাছে মরহুমার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া চান এবং মায়ের সব পাওনা পরিশোধের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেওয়ার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে আল্লাহর কাছে ফরিদা বেগমের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করেন।
জানাজা ও দাফনে রূপায়ণ গ্রুপের কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খাঁন রাতুল, ভাইস চেয়ারম্যান আলী আকবর খাঁন রতন, সাইফ আলী খাঁন অতুলসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়ী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, স্থপতি, শিল্পী ও সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শেষ বিদায়ে শরিক হন।
ফরিদা বেগমের মৃত্যুতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি, কালবেলার সম্পাদক সন্তোষ শর্মাসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান গভীর শোক প্রকাশ করেছে।