নতুন করে নিয়োগ-পদায়ন, বদলি ও পদোন্নতি বাণিজ্য; পাশাপাশি টেন্ডার ও উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে।
রোববার কমিশন নতুন অভিযোগগুলো অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছে। তার বিরুদ্ধে আগের নিয়োগ, বদলি, পদায়নে দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে নতুন অভিযোগগুলোরও অনুসন্ধান হবে। দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে দুদকের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগে প্রায় ৬০ কোটি টাকা ঘুষ, সারা দেশে ৩৬ জন জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদায়নে ২ থেকে ১০ কোটি টাকা করে লেনদেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে ১০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিশন নেয়া হয়েছে।
এছাড়া দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে।
দুদকে দেয়া অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি টাকা, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি টাকা এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করেছেন। এসব অর্থ দিয়ে বিভিন্ন দেশে বিলাসবহুল ভিলা কেনা এবং ব্যবসায় বিনিয়োগের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া পর্তুগালে জমি কেনা, দুবাইয়ের গ্রিন গ্রুপে বিনিয়োগ এবং সুইস ব্যাংকে অর্থ জমা রাখার অভিযোগও অনুসন্ধানের আওতায় রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আসিফ মাহমুদ তার দুই ভগ্নিপতি ও এক ভাগ্নের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করেছেন।