জবানবন্দিতে কনস্টেবল নাহিদ
জুলাই বিপ্লবে যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তায়িম হত্যা মামলায় ১২তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন কনস্টেবল নাহিদ মিয়া। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ জবানবন্দিতে নাহিদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় আমি যাত্রাবাড়ী থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত ছিলাম।
আন্দোলন চলাকালে ২০ জুলাই কানাঘুষা শুনতে পাই, যাত্রাবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাকির স্যার কাজলা এলাকায় গুলি করে একজনকে মেরে ফেলেছেন। এর ৮-১০ দিন পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও দেখতে পাই।
ভিডিওতে জিন্স প্যান্ট, ডোরাকাটা টি-শার্ট, হাতে ঘড়ি ও হেলমেট পরিহিত যে ব্যক্তিকে গুলি করতে দেখা যায়, তিনি হচ্ছেন যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাকির হোসেন। যাকে গুলি করছিলেন, তিনি তায়িম ভূঁইয়া। তিনি সম্মুখভাগে এগিয়ে এসে খুব কাছ থেকে গুলি করছেন। ইন্সপেক্টর জাকিরের সঙ্গে আমি একত্রে চাকরি করেছি; সে কারণে আমি তাকে দেখেই চিনতে পারি।
এই মামলায় মোট ১১ জন আসামি। এর মধ্যে ৯ জন পলাতক। তারা হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারী বিভাগের সাবেক উপকমিশনার ইকবাল হোসাইন, ডেমরা অঞ্চলের সাবেক উপকমিশনার মাসুদুর রহমান, ওয়ারী অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার এস এম শামীম, সাবেক সহকারী কমিশনার নাহিদ ফেরদৌস, সাবেক পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকির হোসাইন, সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) ওহিদুল হক ও সাবেক উপপরিদর্শক সাজ্জাদ উজ জামান।
গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন দুই আসামি। তারা হলেন যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসান ও সাবেক এসআই শাহদাত আলী। আজ সকালে তাদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এলআর