হোম > আইন-আদালত

আমি গ্রেপ্তার করে দিলে দুজনকেই ক্রসফায়ার দেয়

ট্রাইব্যুনালে পুলিশ কর্মকর্তা খলিল

স্টাফ রিপোর্টার

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুজনকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধে সাবেক এমপি আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহসহ চার জনের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন এসআই খলিলুর রহমান। হত্যাকাণ্ডের শিকার দুজন হলেন-আগৈলঝাড়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার ও উপজেলা জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ জবানবন্দি দেন তিনি।

জবানবন্দিতে এসআই খলিলুর রহমান বলেন, আমার বর্তমান বয়স আনুমানিক ৫২ বছর। আমি বর্তমানে বরিশালে সিআইডিতে এসআই হিসাবে কর্মরত আছি। আমি ২০১৩ সাল থেকে ২০১৬ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বরিশাল জেলার গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলাম। ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার তৎকালিন পুলিশ সুপার এ কে এম এহসানউল্লাহ তার অফিসে আমাকে ডাকেন। আমি অফিসে গিয়ে দেখি সেখানে আগৈলঝাড়া থানার এসআই নজরুল ইসলাম ও আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুল ইসলাম উপস্থিত আছেন। পুলিশ সুপার আমাকে দুজন আসামির নাম দিয়ে বলেন, এমপি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন এদের যে কোন মূল্যে গ্রেপ্তার করতে-না হলে চাকরি থাকবে না। উপরের অনেক চাপ আছে। তোমরা ঢাকা ডিবি অফিসে যাবা, ডিএমপির ডিবির ডিসি ও ডি্বি মুখপাত্র মনিরুজ্জামান স্যারের সঙ্গে কথা হয়েছে।

জবানবন্দিতে পুলিশ কর্মকর্তা খলিল বলেন, আগৈলঝাড়া থানার এসআই নজরুল ইসলাম ও তার ফোর্সসহ আমি ডিএমপির ডিবি অফিসে দেখা করি। সেখানে ডিএমপির এসি মহরম স্যারের সঙ্গে আমরা কাজ করি। মহরম স্যার বিভিন্ন তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামিদের শনাক্ত করে তার ডিবির টিম এবং এসআই নজরুল ইসলাম ও আমি ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়ার কুরগাঁও পুরাতন পাড়া তেকে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আসামি কবির মোল্লাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্ততার করে এসি মহরম স্যারের হেফাজতে নিই। এরপর একই রাতে আনুমানিক আড়াইটার দিকে কেরানীগঞ্জের মধ্যেরচর থেকে আসামি টিপু হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে এসি মহরম স্যারের হেফাজতে নিই।

পরে গ্রেপ্তার এই দুজন আসামিকে একটি মাইক্রোবাস করে আমি, এসআই নজরুল ও ফোর্সসহ বরিশালের উদ্দেশ্যে রওনা করি। ভুরঘাটা নামক স্থানের একটু আগে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঢাকা বাসস্ট্যান্ডের সামনে আমি নেমে যাই। এসআই নজরুল তাদের নিয়ে বরিশালের উদ্দেশ্যে চলে যায়। পরে জানেতে পারি গ্রেপ্তার দুজনকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হয়েছে। আরো জানতে পারি যে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল নির্দেশদাতা এমপি আবুল হাসানাত আব্দুলাহ।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২০ সেপ্টেম্বর

জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, আইনজীবী ৪ দিনের রিমান্ডে

শেষ হলো বেনজীরের বিরুদ্ধে আট জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ

গুলিবিদ্ধ মারুফের মৃত্যুর বর্ণনা দিলেন সাকিব

কবর থেকে সালমান শাহর লাশ না তোলার আবেদন নথিভুক্ত

বেনজীরের বিরুদ্ধে আরো ৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ

কবর থেকে সালমান শাহর লাশ তোলার আদেশ বাতিল

আমাকে ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে বিবস্ত্র করে ঝুলিয়ে রাখতো

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বিচারক-আইনজীবীকে ইনুর হুমকি