হোম > আইন-আদালত

উত্তরায় শপিং কমপ্লেক্সে ভাংচুর, ১১ আসামি রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর উত্তরার ‘স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সে’ ভয়াবহ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার এগারো আসামিকে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শামীম এ তথ্য জানান।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক মো. সুমন মিয়া আসামিদেরকে আদালতে হাজির করেন। এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

তবে আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিন আবেদন করে বলেন, ঘটনার সাথে এখানে থাকা আসামিরা কোনোভাবে জড়িত ছিল এমন প্রমাণ নেই। আসামিদের মধ্যে কেউ রিকসাওয়ালা আবার দিনমজুর। এদের ঘটনাস্থলের সাথে আসা যাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।

আসামি মজিবর রহমানের আইনজীবী দিলীপ কুমার সরকার আদালতে বলেন, এ মামলায় রিমান্ড চাওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। আয়ু (তদন্ত কর্মকর্তা) সাহেব শুধু দেখে দেখে ছড়া বললো। নির্দিষ্ট কি অভিযোগ সেটা বলতে পারলো না। সুতরাং জামিন চাই। শুনানি শেষে রিমান্ডে নেয়ার এই আদেশ দেন আদালত।

​রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন, মো. মনির আলম, মো. মজিবর রহমান, মো. হৃদয়, মো. মঞ্জুরুল, মো. মহব্বত আলী, শাহ পরান, মো. শাকিল, মো. রশিদুল ইসলাম ওরফে আ. রশিদ, মো. সাজু, মো. লিটন এবং জিহাদ। এর আগে গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অভিযোগ থেকে, ঘটনার দিন রাত আনুমানিক সাড়ে নয়টায় উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ১৩ নং সেক্টরের সোনারগাঁও জনপদ রোডে অবস্থিত ‘স্কয়ার শপিং কাম কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স’-এর সামনে এক রিকশাচালকের সাথে দায়িত্বরত নিরাপত্তা রক্ষীর বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উক্ত রিকশাচালক ও তার সাথে থাকা আরও ১৫/২০ জন অজ্ঞাতনামা রিকশাচালক মিলে নিরাপত্তা রক্ষী ও শপিং কমপ্লেক্সের লোকজনের ওপর চড়াও হয় এবং তাদের এলোপাথাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে।​ পরবর্তীতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুজব ছড়িয়ে প্রায় ৬০০/৭০০ জন উত্তেজিত লোক লাঠিসোঁটা ও লোহার রড নিয়ে শপিং কমপ্লেক্সে হামলা চালায়। হামলাকারীরা কমপ্লেক্সের নিচতলা ও দোতলার গ্লাস ভাঙচুর করে। এ সময় সুযোগ বুঝে আসামিরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে অবস্থিত ‘খাজানা ভ্যারাইটিজ স্টোর’ থেকে ১০ লক্ষ টাকার মালামাল এবং 'KZ ইমিটেশন জুয়েলারি' দোকান থেকে ৫ লক্ষ টাকার গয়না লুট করে নিয়ে যায়।​

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে উত্তেজিত জনতা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং রাস্তায় আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে কমপ্লেক্সের প্রায় ৯ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও গ্যাস সেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে।

শপিং কমপ্লেক্সটিতে ভাংচুরের ঘটনায় গতকাল কমপ্লেক্সটির ইলেক্ট্রিশিয়ান আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

প্রতারণা মামলায় এএসপি সোহেল কারাগারে

অর্থপাচার মামলায় সালমান এফ রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ২৩ জুলাই

বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

নামাজরত মাকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন

ফ্যাসিস্টের দোসর বিচারপতি খায়রুলের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

ভাগ্নিকে নিপীড়নের মামলায় ইসতি মেডিকেলের এমডি কারাগারে

আদালতের বারান্দায় ট্র্যাজেডি, ভাগ্নের সাজা সইতে পারলেন না মামা

বার কাউন্সিলে অ্যাডহক কমিটি, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল

জাসদ নেতা ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলে কী করতে পারে কমিশন, জানালেন শিশির মনির