দুর্নীতি মামলায়
রাজধানীর গুলশানে ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি শেষে। তবে আদেশের জন্য আগামী ৬ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
বুধবার (২০ মে) ঢাকার নয় নম্বর বিশেষ জজ মো. আব্দুস সালামের আদালতে মামলাটির চার্জগঠনের জন্য শুনানি দিন ধার্য ছিল। চার্জ গঠনের শুনানির আগে সালাম মুর্শেদীকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এসময় জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।
এ বিষয়ে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন, আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার, আলহাজ্ব বোরহান উদ্দীন, শাহীনুর ইসলাম,খাদেমুল ইসলাম। পরে বিষয়টি নিশ্চিত করে আসামিপক্ষের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম বলেন, সব আসামিদের অব্যাহতির (ডিসচার্জ) আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে চার্জ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য ওই দিন ধার্য করেন আদালত।
মামলার অন্যান্য আসামি হলেন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।