সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জুলাই পদযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় করা মামলায় সাবেক যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম ও সজিবকে দুই দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগের আদালত রিমান্ডে নেওয়ার এ আদেশ দেন। এর আগে তাদেরকে আদালতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. শাহরিয়ার ইমতিয়াজ।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনসহ মূল পরিকল্পনাকারী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। একই সাথে মামলার ঘটনায় জড়িত অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ ও গ্রেপ্তার এবং আসামিদের হেফাজত হতে আরও বিস্ফোরক উদ্ধার ও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার জন্য রিমান্ডে নেয়া প্রয়োজন। পরে শুনানি রিমান্ডে নেয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গতকাল সোমবার রাতে এনসিপির ঢাকা উত্তরের সদস্যসচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে এ মামলা দায়ের করেন। পরে আজ মঙ্গলবার সকালে সাভার থানাধীন আনন্দপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে নুরুল ইসলাম ও সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে দলের ৬ নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় জুলাই শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মান্নান গাজী ও দুজন সাংবাদিকসহ ছয়জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন- মান্নান গাজী, শাহীন খন্দকার, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ডিবিসি নিউজের ক্যামেরা পারসন মো. মজনু এবং এনপিবি নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাঈদুল ইসলাম।
এএস