বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার অভিযোগে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) মো. সোহেলউদ্দিন প্রিন্সকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার ইভার আদালত এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদি পক্ষের আইনজীবী কামরুজ্জামান শাহীন।
এর আগে গত ৯ জুন সোহেলের বিরুদ্ধে বিশ্বাস ভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৬ /৪২০ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন একই আদালত। এদিন মামলার বাদি সহকারী কর কমিশনার মোসা: তানজিনা সাথী আসামি সোহেলের জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। ওই আবেদনে বলা হয়, সোহেল ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট বাদির সাথে আপোষ করার শর্তে জামিন নেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলার বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল কোন আপোষ মীমাংসা করেন নাই। তাই তার জামিন বাতিল করা হোক।
আসামিপক্ষে সোহেলের আইনজীবী আবুল কালাম খান আদালতে বলেন অভিযুক্ত সোহেল বাদির কোন অর্থ আত্মসাৎ করেন নাই। বাদি মিথ্যা অভিযোগে তাকে হয়রানি করছেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক সোহেলের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর অভিযুক্ত সোহেলউদ্দিন প্রিন্স এর বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন সহকারী কর কমিশনার মোসা. তানজিনা সাথী।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৭ সালে বাদি ও সোহেলউদ্দিন প্রিন্স ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরিচয়ের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হয়। সোহেলউদ্দিন বাদিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাদি ও তার পরিবারের সাথে সুসম্পর্কের সুবাদে সোহেল বিভিন্ন সময়ে নানা রকম অজুহাতে তার কাছ থেকে ২ কোটি ৩২ লাখ ১১ হাজার টাকা নেন। পরে বাদিকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা করেননি। টাকাও ফেরত দেননি। এ মামলা ছাড়াও স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুকের অপর একটি মামলা সোহেলের বিরুদ্ধে বিচার চলমান।
এমই