হোম > আইন-আদালত

একযুগ পর মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলায় ৬ আসামির বিচার শুরু

স্টাফ রিপোর্টার

দীর্ঘ এক যুগ পর ইসলামী বক্তা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর আদেশ দেন বিচারক।

রোববার ঢাকার ৯ম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলাম আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ দিন আসামি আবদুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রিয়াজ ওরফে রিপন ও আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী আদালতে হাজিরা দেন। তাদের পক্ষে আইনজীবী জায়েদুর রহমান জাহিদসহ অন্যরা অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। এ মামলায় কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখানো হয়। পরে তাদের উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন এবং আসামিপক্ষ অব্যাহতি চান। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন আদালত।

এছাড়া মামলার অপর দুই আসামি মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারের ১৭৪ নম্বর নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী। হত্যার পর তার বাসা থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তার ছেলে ফয়সাল ফারুকী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার কে এম আবুল কাশেম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়। অপর দিকে সাক্ষ্যপ্রমাণ না পাওয়ায় আরও কয়েকজনকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ২৬ আগস্ট সন্ধ্যায় ঢাকার আশুলিয়ায় ইস্ট ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজের পাশে কামারপাড়ায় জঙ্গি নেতা 'জামাই ফারুক'-এর সহযোগী ইমনের শ্বশুরবাড়িতে বসে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়। জেএমবি নেতা জামাই ফারুক, মাহমুদ ইবনে বাশার, রতন চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার রিপন, রাকিব ওরফে রিয়াজ, নাঈম, হাদিসুর রহমান সাগর, জুলফিকার ওরফে সাদ বিন আবু ওয়াক্কাস, আবু আল বাঙ্গালী, আবদুল্লাহ স্যার ওরফে তৌফিক, আমজাদ, আবদুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, ইমন, রফিকুল ইসলাম রুবেল, সরোয়ার জাহান মানিক, হাফেজ কবির, মো. মাশতাক ই মাতম ও মোস্তাফিজুরসহ অন্যান্য জঙ্গিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটনার দিন মতাদর্শের পার্থক্যের কারণে ভিকটিম নুরুল ইসলাম ফারুকীকে তার নিজ বাসায় খুন করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।

এতে আরো বলা হয়, নিহত নুরুল ইসলাম ফারুকী একজন সুফি মতবাদের অনুসারী ও ইসলামী বক্তা ছিলেন। অন্যদিকে আসামিরা জেএমবি মতাদর্শের অনুসারী ছিল। তারা মাজার স্থাপন ও মাজারে প্রচলিত কার্যক্রমের পরিপন্থী মতাদর্শ প্রচার করত। তৎকালীন সময়ে জেএমবির বিভিন্ন কার্যক্রম দেশব্যাপী চলমান ছিল। মতাদর্শগত পার্থক্যের কারণেই সক্রিয় জঙ্গিরা এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন।

নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে পরীমনিকে আইনি নোটিস

নামের মিলের সেই আলমাছকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

রাসেল লজ অবসায়নে আপিল বিভাগের যুগান্তকারী রায়

তাহসিফ হত্যা মামলা: বন্ধু দীপের তৃতীয় দফায় ৩ দিনের রিমান্ড

মাদরাসাছাত্র হত্যা মামলায় কারাগারে ইকবাল সোবহান চৌধুরী

আমু-শাজাহানসহ ৬ জনকে হাজিরের নির্দেশ, মির্জা আজমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৩১তম বার পেছাল

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৭৭, মামলা ৫৫

জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা পরীমণি