হোম > আইন-আদালত

রানা প্লাজা ধস: ১৩ বছরেও শেষ হয়নি হত্যাসহ ৫ মামলার বিচার

নাসিরউদ্দিন লিটন

ছবি: সংগৃহীত

১৩ বছর আগে আজকের এই দিনে ঢাকার অদূরে সাভারে ধসে পড়ে রানা প্লাজা ভবন। বেশ কয়েকটি পোশাক কারখানা নিয়ে গড়ে ওঠা ভবনটিতে ভয়াবহ সেই দুর্ঘটনায় ১ হাজার ১৩৬ জনের প্রাণহানি ঘটে। আহত হন দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। এতো মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় করা হত্যাসহ পাঁচটি মামলার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও এখানো শেষ হয়নি বিচারকাজ। কবে নাগাদ শেষ হবে তাও বলতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

ভবন ধসে বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে অবহেলার কারণে মৃত্যু উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ, ইমারত নির্মাণ আইন না মেনে ভবন নির্মাণ করায় একটি মামলা করে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ভবন নির্মাণে দুর্নীতি ও সম্পদের তথ্য গোপনসংক্রান্ত দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), অস্ত্র এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা হয় আরো দুটি মামলা।

এসব মামলার মধ্যে কেবল দুদকের দায়ের করা সম্পদের তথ্য গোপনের একটি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর বাইরে ভবন নির্মাণে দুর্নীতির মামলাটি যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। বাকি তিনটি মামলা রয়েছে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে। আরেকটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে।

রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা ও ইমারত আইনের মামলা দুটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয় ২০১৬ সালে। একই বছরের ১৫ মার্চ মামলা দুটি বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ এবং বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়। একই বছরের ১৬ জুন ইমারত নির্মাণ আইনের মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ১৮ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এরপর ১৮ জুলাই হত্যা মামলায় ভবন মালিক সোহেল রানাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ঢাকার তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ এস এম কুদ্দুস জামান।

রানা প্লাজার হত্যা মামলা

রানা প্লাজা ধসের পরদিন অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে একটি মামলা করেন সাভার থানার উপপরিদর্শক আলী আশরাফ। ওই মামলায় সোহেল রানাসহ ২১ জনকে আসামি করা হয়। এ ছাড়া রানা প্লাজা ধসে নিহত হওয়ার ঘটনাকে হত্যাকারী আখ্যায়িত করে আদালতে আরেকটি মামলা করেন গার্মেন্ট শ্রমিক জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী শিউলি আক্তার। আদালতের নির্দেশে এটিকে অবহেলাজনিত মৃত্যু মামলার সঙ্গে একীভূত করে তদন্ত করে সিআইডি। আদালতে দায়ের করা হত্যা মামলার বাদী শিউলি আক্তার এখন পুলিশের মামলার সাক্ষী। এ মামলায় মোট ৫৯৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

২০১৬ সালের ১৮ জুলাই এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। চার্জশিটভুক্ত ৪১ আসামিদের মধ্যে সোহেল রানা কারাগারে। আসামি রানার বাবা আব্দুল খালেক ও তার মা মর্জিনা বেগমের মৃত্যু হয়। বর্তমানে সাভার পৌরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান মো. রেফাত উল্লাহসহ মোট ১৩ জন আসামি পলাতক রয়েছেন এবং বাকি ২৫ জন আসামি বিভিন্ন সময় হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন।

বর্তমানে মামলাটি ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ মুনির হোসাঈনের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলায় মোট ৫৯৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছে আদালত। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ মামলাটির তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আগামী ৩০ এপ্রিল মামলাটির পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম সজীব এসব তথ্য জানান।

হত্যা মামলাটির সম্পর্কে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফয়সাল মাহমুদ জানান, তৎকালীন সরকারের মামলাটি নিয়ে সদিচ্ছার অভাব ছিল বলে মনে হয়। এটাকে পুঁজি করে তারা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে। দিনের পর দিন রাষ্ট্রপক্ষ থেকে কোনো ইনিশিয়েটিভ নেওয়া হয়নি। আমরা বিগত দেড় বছরে প্রোগ্রেস করেছি। ১০০ জনের বেশি সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এখন সাক্ষ্যগ্রহণের সর্বশেষ ধাপে আছি। আশা করছি খুব দ্রুত আমরা হয়তো একটা ভার্ডিক্ট পেতে যাচ্ছি। চলতি বছরের মধ্যেই একটা কিছু (রায়) হতে পারে বলে দাবি করে এই আইনজীবী।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৫৯৪ জন সাক্ষীরে মধ্যে ১৪৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছি। আরো কিছু সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া লাগতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মামলাটির বিচার দ্রত শেষ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করছি খুব শিগ্‌গিরই মামলাটির বিচার শেষ হবে এবং ভিকটিম পরিবার ন্যায়বিচার পাবে।’

এ বিষয়ে রানার আইনজীবী মাসুদ খান খোকন আমার দেশকে বলেন, ‘মাসুদ রানার প্রতিটি মামলা চলমান। আর যে কজন সাক্ষী আছে, তারা আসুক। সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষ হোক। আমি চাই দ্রুত একটা সমাধান হোক। রানা সম্পূর্ণ নির্দোষ ও নিরপরাধ। আমি রানার খালস চাই, আর খালাস না হলে বিচার শেষে সাজা হবে। এই আসামি রানা আর কত দিন জেল খাটবেন? আসামি যাতে ন্যায়বিচার পান, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা। রানার হাজতবাস প্রায় ১৩ বছর। তিনি নির্দোষ ও নিরপরাধ, কারণ বিচার এখনো চলমান। হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিটে ৪১ জনকে আসামি করেন। সাক্ষী ছিলেন ৫৯৪ জন। বিভিন্ন সময়ে এই মামলায় ১৪৫ জন সাক্ষী হয়েছেন। এখনো সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য আছে। সাক্ষ্য শেষ হচ্ছে না, রানার হাজতবাসও শেষ হচ্ছে না। এখনো সাক্ষ্য-প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ আনতে পারে নাই। রানাকে জামিন দিক অথবা দ্রুত বিচার শেষ করুক, এটাই আমাদের প্রত্যশা ‘

রানা প্লাজার দুদকের ইমারত মামলা

রানা প্লাজা ভবনটি ছয়তলা অনুমোদন থাকলেও দুর্নীতির মাধ্যমে ১০ তলায় রূপান্তর করার অভিযোগে দুদকের পক্ষে সংস্থটির উপপরিচালক এস এম মফিদুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সংস্থটির উপপরিচালক মো. নাসিম উদ্দিন ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বর্তমানে মামলাটি ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শারমিন আফরোজের আদালতে যুক্তিতর্ক শুনানির পর্যায়ে রয়েছে। এ মামলায় মোট ২০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৯ জনের সাক্ষ্যগহণ শেষ করেছে আদালত। ২০২৫ সালের ১৯ মে মামলাটি আত্মপক্ষ সর্মথন শুনানি শেষে আদালত যুক্তিতর্কের শুনানির জন্য দিন ধার্য করে। সর্বশেষ গত ৩০ মার্চ অধিকতর যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন ধার্য থাকলেও তা হয়নি। আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ মে দিন নির্ধারণ করেছে।

ইমারত আইনের মামলা

ইমারত বিধিমালা না মেনে ভবন নির্মাণের অভিযোগে ওই সময় সোহেল রানাসহ ১৩ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় আরেকটি মামলা করেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল আহমেদ। সিআইডি তদন্ত শেষে এ মামলায় সোহেল রানা ও তার বাবা-মাসহ ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ১৯৫২ সালের ইমারত নির্মাণ আইনের ১২ ধারায় এ চার্জশিট দাখিল করে। এ মামলায় ১৩৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর ঢাকার সাবেক জেলা ও দায়রা জজের তৎকালীন বিচারক এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার আদালত বিচারিক ক্ষমতাবলে হত্যা মামলাটির পাশাপাশি ইমারত নির্মাণ আইনের মামলাটিও নেয়, যাতে পাশাপাশি দ্রুত এ দুই মামলার বিচারকাজ শেষ হয়। তবে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মামলাটি যাওয়ার পরেও এখন পর্যন্ত কোনো তারিখ পড়েনি। পরবর্তীতে আবারও মামলাটি ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি পাঠানো হয়েছে। মামলাটির বিচার কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। এই মামলায় আসামির ১৬ জন। এই মামলায় সবাই জামিনে রয়েছেন।

ইমারত নির্মাণ আইনে অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— ভবন মালিক সোহেল রানা, তার বাবা আব্দুল খালেক ওরফে কুলু খালেক, মা মর্জিনা বেগম, সাভার পৌরসভার মেয়র রেফায়েত উল্লাহ, কাউন্সিলর মোহাম্মাদ আলী খান, উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, নিউওয়েব বাটন লিমিটেডের চেয়ারম্যান বজলুস সামাদ আদনান, সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. সারোয়ার কামাল, আমিনুল ইসলাম, নিউওয়েব স্টাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুর রহমান তাপস, ইথার টেক্সটাইলের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান ওরফে আনিসুজ্জামান, সাভার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মাহবুবুল আলম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নগর পরিকল্পনাবিদ ফারজানা ইসলাম, নান্টু কন্ট্রাকটার ও রেজাউল ইসলাম।

অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা

রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ার সপ্তাখানেক পর ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহিন শাহ পারভেজ ধামরাই থানায় অস্ত্র আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা করেছিলেন। এ দুটি মামলায় সোহেল রানাকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে মামলা দুটি প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজের বিচারক এ বি এম আশফাক উল হকের আদালতে বিচারধীন রয়েছে। সর্বশেষ মামলা দুটি গত ৩০ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য থাকলেও সাক্ষীরা উপস্থিত হননি। এ জন্য বিচারক পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৩০ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এসব মামলায় রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানা, তার বাবা আবদুল খালেক ওরফে খালেক কুলুসহ ৫৯ জনকে মোট আসামি করা হয়েছে। তবে আসামিদের মধ্যে ১৭ জনের নাম উভয় মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ থাকায় ব্যক্তি হিসেবে আসামির সংখ্যা ৪২ জন। এর মধ্যে হত্যা মামলায় ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং সাক্ষী করা হয়েছে ৫৯৪ জনকে। ইমারত নির্মাণ আইনের মামলায় ১৮ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং সাক্ষী করা হয়েছে ১৩৫ জনকে।

এই পাঁচ মামলার বাইরে রানা প্লাজার মালিক সোহেল রানার বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলাটিই কেবল নিষ্পত্তি হয়েছে। এ মামলায় ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট সোহেল রানাকে তিন বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা নামক ভবন ধসে ১ হাজার ১১৭ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো ১৯ জন মারা যান। ধ্বংসস্তূপ থেকে ২ হাজার ৪৩৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত লাশের মধ্যে ৮৪৪টি নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা রেখে ২৯১ জনের অশনাক্ত লাশ জুরাইন কবরস্থানে দাফন করা হয়। উদ্ধারকৃত জীবিতদের মধ্যে ১ হাজার ৫২৪ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন ৭৮ জন। এ ঘটনার পরে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় একই বছরের ২৯ এপ্রিল বেনাপোল থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

ওমরায় যেতে বাধা দেওয়ায় কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

কেরানীগঞ্জে পান দোকানিকে খুনের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় সাবেক ডিজিএফআই কর্মকর্তা নাছের রিমান্ডে

গোয়েন্দা সংস্থা বলেছে, জিয়াউল আমার ভাতিজার হত্যাকারী

বিচারপতি আব্দুল মান্নানকে বিচারিক ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো

কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনি নথি হেফাজতের নির্দেশ

দুই হাত পিছমোড়া বাঁধা ও পেট ফাড়া ছবি দেখে নজরুলকে শনাক্ত

মোদিবিরোধী লেখালেখির কারণে আমাকে গুম করা হয়

ভার্চুয়াল কোর্টের প্রতিবাদে হাইকোর্টে আইনজীবীদের বিক্ষোভ

জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিন পেলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী