হোম > আইন-আদালত

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবার মৃত্যুদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে মেয়েকে একাধিকবার ধর্ষণের দায়ে সৎ বাবা জামালকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে তাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

এর আগে কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। রায় ঘোষণা শেষে সাজার পরোয়ানা দিয়ে আবার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. আব্দুল মজিদ জানান, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জেরা, মেডিকেল ও ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট পুঙ্খানুপুঙ্খ বিচার-বিশ্লেষণ করে অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন বিচারক।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘অনেকের ধারণা থাকে যে বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় বা বিচার হয় না। কিন্তু পারিপার্শ্বিকতা, সঠিক তদন্ত, ডিএনএ পরীক্ষা ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমাণ করে বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো বাংলাদেশে বিচার পাওয়া যায়।’

আইন অনুযায়ী, এই রায়ের বিরুদ্ধে আগামী সাত দিনের মধ্যে আসামিপক্ষের উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।

রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, আসামিকে দেওয়া ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ভিকটিম পাবে। আসামি জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে মাননীয় জেলা প্রশাসককে আসামির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৪ ডিসেম্বর আসামি জামাল তার স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ঘরে একা পেয়ে তার সৎ মেয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী ভিকটিম গর্ভবতী হয়ে পড়ে এবং তার শরীরে নানাবিধ শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি তার মা জানতে পারেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে। বিচার চলাকালে আদালত মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার তদন্তকালে ভিকটিমের ২২ ধারার জবানবন্দি, চিকিৎসকের মেডিকেল রিপোর্ট ও ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় ভিকটিমের গর্ভের সন্তানের জৈবিক পিতা আসামি জামাল বলে সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।

বাড়ছে ধর্ষণ মামলা, মিলছে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সাবেক এমপির বাসা থেকে ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কারফিউ দিয়ে মানুষ হত্যায় হাসিনা, কামরুল ও মেননের শাস্তি চাইলেন গুলিবিদ্ধ হান্নান

দুই দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি নজরুল

বেস্টওয়ে গ্রুপের এমডি ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

দুই কোটি টাকা ঘুষ দাবি করা বিপিডিবির সেই নির্বাহী প্রকৌশলী বরখাস্ত

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার সেই কনস্টেবল ৩ দিনের রিমান্ডে

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি ফের রিমান্ডে

মাদক ধ্বংসের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্য ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার

দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট