হোম > শিক্ষা

পদোন্নতির দাবিতে কর্মবিরতিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা

প্রতিনিধি, ববি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) পদোন্নতির দাবিতে দুদিন ধরে একাডেমিক কর্মবিরতি ও শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা। এতে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা। গত মঙ্গলবার থেকে শিক্ষকদের এ কর্মবিরতি শুরু হয়। পরে গতকাল বুধবার ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু হওয়ায় সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ছিল। এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০২ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত লিখিত বিবৃতিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে, গত রোববার সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন পদোন্নতির দাবিতে আমরণ অনশনে বসেন। পরে সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা কর্মবিরতির ঘোষণা দিলে তিনি অনশন ভঙ্গ করেন।

জানা গেছে, দীর্ঘদিনের শিক্ষক সংকট, পদোন্নতি জটিলতা এবং আইনগত অনিশ্চয়তা নিরসনের দাবিতে মঙ্গলবার কর্মবিরতি এবং বুধবার থেকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেন শিক্ষকরা। সেই সঙ্গে প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেন।

বিবৃতিতে শিক্ষকরা বলেন, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নির্দেশনায় চাকরি, পদোন্নতি ও প্রশাসনিক বিধিমালা প্রণয়ন ও সংশোধনে চ্যান্সেলরের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রম আইনগত অনিশ্চয়তায় পড়েছে এবং পূর্ববর্তী কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিভাগে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে। অনুমোদিত পদ থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৫১টি পদ শূন্য রয়েছে এবং খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ভাতা বন্ধ থাকায় পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি ২৪ জন শিক্ষকের অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সুপারিশ বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

ফলে সার্বিক বিষয়ে দুদিন ধরে বন্ধ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্লাস-পরীক্ষা। শিক্ষকদের এমন সিদ্ধান্তের ফলে দুদিন ধরে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত হওয়ায় অনেকে সেশনজটের আশঙ্কা করছেন। কেউ কেউ বলছেন, শিক্ষকদের দাবির বলি হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী নাইম মৃধা বলেন, শিক্ষকদের এ সিদ্ধান্তে ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় তীব্র সেশনজটের সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়, এমন সিদ্ধান্ত থেকে শিক্ষকরা সরে আসবেন বলে আশা করছি।

চলমান স্থবির পরিস্থিতি নিয়ে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের বিষয়ে আমরা সর্বদা সচেতন। কিন্তু এ অচলাবস্থার জন্য শিক্ষকরা মোটেই দায়ী নয়। তিনি আশা করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকার এ অচলাবস্থা নিরসনে শিগগির উদ্যোগ নেবে।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, শিক্ষকদের পদোন্নতি ইস্যুতে সৃষ্ট সংকট নিরসনে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান না আসা পর্যন্ত শিক্ষকদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয় এমন কোনো কর্মসূচি থেকে সরে আসার জন্য।

সরকারি প্রাথমিক শিক্ষকদের কড়া সতর্কবার্তা অধিদপ্তরের

পাবলিক পরীক্ষা আইনে ডিজিটাল নকলের সাজা যুক্ত হচ্ছে

কিউএস বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাথমিকের সব দপ্তর ও বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

জুলাই বিপ্লব স্মরণে জাতীয় গল্প ও উপন্যাস প্রতিযোগিতার আয়োজন ডাকসুর

কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে এবারও দেশসেরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

খুবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রতিবাদ কর্মসূচি

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গণিতচর্চার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ গড়তে ম্যাথ ল্যাব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ

আম্মারের বিরুদ্ধে হল সংসদ নেতাকে লাঞ্ছনার অভিযোগ

শিক্ষক নিয়োগে রাজনৈতিক বিবেচনা প্রাধান্যের অভিযোগ