হোম > শিক্ষা

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পথে দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্য প্রধান অন্তরায়

শিক্ষক ফোরাম

স্টাফ রিপোর্টার

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের পথে এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর ঘুষ বাণিজ্য, দুর্নীতি এবং সরকারের সদিচ্ছার অভাবকে প্রধান অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের নেতারা।

শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী জাতীয়করণ: প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম অনতিবিলম্বে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়ার দাবি জানান।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে শিক্ষকরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। সরকারের কাছে শিক্ষকদের কোনো গুরুত্ব নেই। শিক্ষার মান বাড়াতে হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করতেই হবে। শিক্ষকদের মানোন্নয়ন করা হলে তারাই গোটা দুনিয়ায় দেশকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলবেন। তিনি আরও বলেন, শিক্ষাখাতে নতুন করে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পেনশন ও অন্যান্য প্রাপ্য নিয়ে গড়িমসি করা যাবে না। অবসরের পর তাদের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত পরিশোধ করতে হবে।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ছবি টাঙানো, মূর্তি বানানো, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলায় অর্থ ব্যয় করা কিংবা অপকর্মে টাকা খরচ করার নাম সরকার নয়। একই সঙ্গে তিনি ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, সরকার ওস্তাদকে (শিক্ষককে) সম্মান দিলে শিক্ষকরাই রাষ্ট্রকে সম্মানিত করবেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রায় সাড়ে ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের কারণে এ দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, জাতীয়করণ হলে সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের সুযোগ কমে যাবে-এ কারণেই তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় জাতীয়করণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছেন। তবে শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলেও মত দেন তারা।

আলোচনা সভায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের পাশাপাশি নৈশ প্রহরীদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও ছুটির নীতিমালা প্রণয়নের দাবিও জানানো হয়। জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি এবিএম জাকারিয়ার সভাপতিত্বে সভায় সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল প্রভাষক আব্দুস সবুর।

এতে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আখম ইউনুস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জাতীয় শিক্ষক ফোরামের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সদ্য সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক নাছির উদ্দীন খানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।

ইনোভেশন বাংলাদেশ ফেয়ারে হাবিপ্রবির উদ্ভাবিত ১২ পণ্য

চার হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে রাবি ছাত্রশিবিরের নবীনবরণ

মৌখিক নম্বর বাড়িয়ে সরকার দলীয় লোক নিয়োগের এজেন্ডা চলছে: শিবির সভাপতি

অধ্যাদেশ বাতিল করে আগের মতো গুম-খুনের রাজনীতি চায় বিএনপি: বিরোধীদলীয় হুইপ

শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ১৫ অনুশাসন বাস্তবায়নে মাঠে শিক্ষা প্রশাসন

জুলাই ও ঢাবির ইতিহাস নিয়ে ডাকসুর ৩ বই

‘শিক্ষার অধিকার ফিরে চাই’—জবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

দেশজুড়ে জুলাই বিপ্লব ও শহীদ হাদির বৈপ্লবিক আহ্বান ছড়িয়ে পড়েছে: সাদিক কায়েম

জনভোগান্তি বাড়লে দেশে গণবিস্ফোরণ ঘটতে পারে: মঞ্চ ২৪

জাকসু জব ফেয়ারে ৭০০ চাকরির সুযোগ, অংশ নিল ২৫ প্রতিষ্ঠান