হোম > শিক্ষা

ম্যানুয়ালে ফল পেতে তিন দিন লাগবে, পদ্ধতির পরিবর্তন করতে হবে

রিটার্নিং কর্মকর্তা সুলতানা

স্টাফ রিপোর্টার

ভোটগ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পরও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা যায়নি। সব প্রার্থী ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই ভোগ গণনার পদ্ধতি পরিবর্তন করায় মূলত এমন জটিলতা। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত চাপ নিতে না পারায় এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ মতাবস্থায় ভোট গণনা পদ্ধতিতে পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

তারা বলছেন, শতভাগ সুষ্ঠু নির্বাচন হলেও কেবলমাত্র নির্বাচন কমিশনের অব্যবস্থাপনা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের গাফিলতির কারণে তাদের সহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার বিকের সাড়ে ৪টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় এক শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনায় প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক সুলতানা আক্তার।

এই রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, আমার সহকর্মীর মৃত্যুতে ব্যাথিত, ক্ষুব্ধ। আমার সহকর্মীর জায়গায় আমিও থাকতে পারতাম। কারণ, গত ১০ ভোটের আগের দিন ব্যালোট বাক্স কেন্দ্রে নেওয়া, সেগুলো পাহাড়া দেওয়া ও ভোটগ্রহণ থেকে এখন পর্যন্ত সেপ্টেম্বর অমানসিক পরিশ্রম আমরা করে যাচ্ছি। ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়, সেজন্য শতভাগ সক্ষমতা আমরা ঢেলে দিয়েছি। আমার কেন্দ্র নওয়াব ফয়েজন্নেসা হলে ২৮০টি ভোটারের মধ্যে ১৩৭টি কাস্ট হয়েছে। চেষ্টা করেছি যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না হয়। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীরা ছিলেন, প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টও ছিল।

তিনি বলেন, আমাদের আগে বলা হয়েছিল অটোমেশন মেশিনে ভোট গণনা হবে, আমাদেরকে শুধু ভোট কাস্ট করে দিতে হবে। আমরা হলেই গণনার দাবি তুলোছিলাম, যাতে ভোটের দিন রাতের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা যায়। কিন্তু আমাদেরকে জানানো হয় সিনেটে হবে, অটোমেশনের মাধ্যমে হবে। কিন্তু দেখা গেল উল্টে। কোনো ধরনের আলোচনা না করেই ভোটের আগের দিন রাতে হঠাৎ জানানো হয় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা হবে। এতে করে মানসিক দুশ্চিন্তা নিয়ে আমার মৃত সহকর্মীসহ আমরা কেউই ঘুমাতে পারিনি। তাকে ফোনে না পেয়ে গার্ড দিয়ে তুলে আনা হয়। তাড়াতাড়ি লিফটে উঠতে গিয়ে তিনি দরজার সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান কালই যদি কেন্দ্রে ভোট গণনা হত, তাহলে আজ আমাদের সহকর্মী চলে যেত না, আমাদের কান্না করতে হতো না। ইতোমধ্যে আরো একাধিক শিক্ষক অসুস্থ হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের অব্যবস্থাপনার কারণে জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যু হয়েছে, আমরা এ ঘটনার বিচার চাই, তার পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করছি। এই মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায় নিতে হবে।

অধ্যাপক সুলতানা বলেন, একটি মাত্র ব্যালট পেপারের মাধ্যমে হল সংসদের ভোট গণনা করতে হয়েছে, তাতেই এমন ভয়াবহ অবস্থা। তাহলে কেন্দ্রীয় পদে ৮ হাজার ভোট কাস্ট ধরলে হলে ২৪ হাজার ভোট গণনা করতে হবে। এতে তিনদিন লেগে যাবে। তাই, পদ্ধতির আমরা পরিবর্তন চাই। আমরা শিক্ষক, আমাদের পরিবার, পরিজন আছে, কোনোভাবেই এত মানুসিক চাপ নিয়ে কাজ করতে চাইনা।

ঢাবিতে প্রথমবারের মতো ‘পেট কার্নিভাল’, উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

সীমা ছাড়ালে ঢাকা শহরের কোথাও থাকতে পারবেন না

মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ছুটি নিয়ে বড় সুখবর

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজে চলছে ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্ন বাণিজ্য

শাকসু নির্বাচনের দাবিতে ফের শাবিপ্রবিতে বিক্ষোভ

ঢাবির কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে জরুরি ১৪ নির্দেশনা

আদালতকে ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে: জকসু

শাকসু নির্বাচনের নিশ্চয়তা না পেলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

রিটকারী ভিপিপ্রার্থী মমিনুরকে শাবিতে অবাঞ্চিত ঘোষণা