হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

বিতর্কিত তিন প্রার্থীকেই নিয়োগ দিল ঢাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাণিবিদ্যা বিভাগে বিতর্কিত তিন প্রার্থীকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, বিতর্ক ও গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের অনুমোদনের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যকর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান আমার দেশ-কে বলেন, ‘প্রার্থীদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উঠেছিল, সেগুলো আমরা প্রত্যেক সিন্ডিকেট সদস্য এবং সিলেকশন বোর্ডের সদস্যদের কাছে পাঠিয়েছিলাম। তারা বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে রিভিউ করেছেন। পরে সভায় সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতেই নিয়োগটি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

এর আগে আমার দেশ- এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্যারাসাইটোলজি, ফিশারিজ ও ওয়াইল্ডলাইফ শাখায় তিনটি প্রভাষক পদে নিয়োগ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগে বলা হয়, ফলাফলে পিছিয়ে থাকা এবং রাজনৈতিক প্রভাব সম্পৃক্ত প্রার্থীদের নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

প্যারাসাইটোলজি শাখায় সুপারিশপ্রাপ্ত জান্নাতুন নাহার ঝিনুর ক্ষেত্রে তার পলাতক ভাই আমিনুল হক পলাশের পরিচয় ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। পলাশ বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক শীর্ষ নেতা এবং পরে এনএসআইয়ের উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কলকাতা মিশন থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আলোচিত হন। যদিও ঝিনু দাবি করেন, তার সঙ্গে ভাইয়ের কোনো রাজনৈতিক বা পেশাগত সম্পর্ক নেই এবং তিনি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

অন্যদিকে ওয়াইল্ডলাইফ শাখায় আশিকুর রহমান সমীর বিরুদ্ধে তুলনামূলক কম সিজিপিএ থাকা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার এপিএস পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিভাগে নিয়োগ পেতে শিক্ষকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি, ভ্রমণে যাওয়াসহ নানা কার্যক্রম সামনে আসে। ফিশারিজ শাখায় আনিকা তাবাসসুমের ক্ষেত্রেও ফলাফলের দিক থেকে পঞ্চম অবস্থানে থেকেও নিয়োগ সুপারিশ পাওয়ায় প্রশ্ন ওঠে।

এদিকে নিয়োগ বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেই দাবি করা হয়েছিল, প্রার্থীদের অ্যাকাডেমিক যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতেই সুপারিশ করা হয়েছে এবং আইনবিরোধী বা নিষিদ্ধ কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সবশেষে সিন্ডিকেট সভায় নিয়োগ অনুমোদনের মধ্য দিয়ে বিতর্কিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের দাবি, কেবল দলীয় স্বার্থে অভিযোগগুলো আমলে না নিয়ে তড়িঘড়ি করে এ নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্বাচনের আগেই উপদেষ্টার এপিএসসহ বিতর্কিত প্রার্থীদের সেইফ এক্সিট দিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে নিয়োগে স্বচ্ছতা ও মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন নিয়ে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন রয়ে গেছে।

‘জুলাই প্রজন্ম বেঁচে থাকতে কোনো সিলেকশন বা ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নেওয়া হবে না’

গবেষণাকে শিল্পমুখী করতে রাবিতে প্রথম ‘ইনকিউবেশন হাব’ চালু

জাবিতে পালাগানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ

ইনকিলাব মঞ্চ নয়, বাংলাদেশের উপর হামলা চালিয়েছে পুলিশ

ট্রেনের ধাক্কায় রাবি শিক্ষার্থীর অকালমৃত্যু

আমার দেশ সাংবাদিকের ওপর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার হামলা

জবিতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, শিক্ষক-সাংবাদিকসহ আহত ৪০

গবেষণার মাঠ ফেরত চায় শেকৃবি, গণপূর্তের বিলবোর্ড ভাঙচুর

গ্রন্থাগারে কমছে পাঠক, তলানিতে পাঠাভ্যাস

রাজশাহী-২ ভোটারদের নিয়ে জরিপ প্রকাশ, এগিয়ে জামায়াত