হোম > ফিচার > ক্যাম্পাস

১৮ বছরের তারুণ্যে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বি এম মিকাইল হোসাইন

বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ৫ জুন বিশ্ববিদ্যালয়টি তার কৈশোর পেরিয়ে ১৮ বছরে পদার্পণ করেছে। আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নততর অবদান রাখতেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অনেক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ প্রণয়ন করার মাধ্যমে পাবনার নগরবাড়ী মহাসড়কের উত্তর পাশে গয়েশপুর ধোপাঘাটা নামক স্থানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর দেশের ২৯তম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সপ্তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে। শুরুতে রাজাপুরের টিটিসি ক্যাম্পাসকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে পাবনা শহরের পাঁচ কিলোমিটার পূর্বদিকে রাজাপুর নামক স্থানে মূল ক্যাম্পাস চালু করা হয়।

২০০৯ সালের ৫ জুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষাকার্যক্রম উদ্বোধন করেন তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার। ২০১৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মূল ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাকার্যক্রম উদ্বোধন করেন ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই অনেক চড়াই-উতরাই পার করেই তবে আজ বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শুরু করেছে। কোনোমতে চালিয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ মেরুদণ্ড সোজা করে হাঁটতে শিখেছে। ডানা মেলতে শুরু করেছে অসীম আকাশে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পাঁচটি অনুষদের অধীনে ২১টি বিভাগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গত ১৭ বছরের অবিরাম অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়টি আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাইরের দেশেও সুনাম অর্জন করে চলেছে।

শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি নিজেদের যুক্ত করছেন নানা ধরনের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে। এখানে পাস্ট ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে প্রায় প্রতিদিনই চলে বিতর্ক উৎসব, রয়েছে সাংস্কৃতিক সংগঠন, কয়েকটি সংগঠন যেমন হেল্প ও জোনাকির মাধ্যমে পথশিশুদের বিনামূল্যে পাঠদানে যুক্ত, শীতবস্ত্র বিতরণসহ অসহায়দের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। কেউ আবার এখন থেকেই স্বপ্ন দেখেন বড় লেখক হবেন, তাই রয়েছে তরুণ লেখকদের সংগঠন-বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, রয়েছে সাংবাদিকদের সংগঠন পাবিপ্রবি প্রেস ক্লাব, সুযোগ আছে বড় রাজনীতিবিদ হওয়ারও।

এ ছাড়া রয়েছে শুদ্ধাচার, ক্যারিয়ার, কর্মসংস্থান, গবেষণা ও পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠন যেমনÑইনকিলাব মঞ্চ, সলভার গ্রিন, রোভার স্কাউট, গ্রিন ভয়েস, আইইইই, পাস্ট বিসিএস জব হান্টার্স, পাস্ট বিজনেস ক্লাব, আগামীর সূর্য, পাস্ট ক্যারিয়ার অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেণারশিপ ক্লাব, ইয়োথ ম্যাপার্স, পাস্ট ফিটনেস ক্লাব, রাহে নূর কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন, কনজিউমার ইয়ুথ বাংলাদেশ, শিখা অ্যাসোসিয়েশন, পাস্ট স্পোর্টস ক্লাব, পাস্ট ফুটবল ক্লাব, পাস্ট রিসার্চ সোসাইটি, পাস্ট বিজ্ঞান ক্লাব ও ডাটা সায়েন্স ক্লাব।

বিশ্ববিদ্যালয়টি সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও অনেকটাই এগিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে সফলও হয়েছেন। ক্যাম্পাসকে মাতিয়ে রাখতে রয়েছে ব্যান্ড দল স্কেচ, অনিরুদ্ধ নাট্যদল, কণ্ঠস্বর আবৃত্তি সংগঠন, মৃদংসহ বিভিন্ন ধরনের সাহিত্য আড্ডা ও নানা সাংস্কৃতিক সংগঠন। তবে চলমান মেগা প্রজেক্টের স্থাপনার কাজ অধিকাংশ শেষ হলেও উদ্বোধন না হওয়ায় গড়ে উঠতে পারেনি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র ও মিলনায়তন সংস্কৃতি। তাই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়টি মেলে ধরতে এখনো নানা আয়োজন বাকি।

বিতর্ক, শুদ্ধাচার, ক্যারিয়ার, কর্মসংস্থান ও পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো এখন ক্যাম্পাসজুড়ে। তাদের মধ্য অন্যতম এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা সক্রিয় বহির্বিশ্বের সব ন্যায়-অন্যায়ের বিরুদ্ধেও, ন্যায়ের প্রতি মৌন অবস্থান আর অন্যায়ের প্রতি তীব্র প্রতিবাদ করতে তারা কখনো কার্পণ্য করে না। এ ছাড়া পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইছামতী নদীকে বাঁচাতেও এখানকার ছাত্র-শিক্ষক অনেক সক্রিয়।

এখানে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব। বিভিন্ন অঞ্চলের বাহারি পিঠার চলে দিনব্যাপী প্রদর্শন। রাজশাহী বিভাগের প্রথম ও একমাত্র বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পাবিপ্রবিতে রয়েছে দুটি ছাত্র হল ও দুটি ছাত্রী হল, যদিও ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় তা অপ্রতুল। তবে নতুন করে জমি বরাদ্দসহ নানামুখী উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল।

সৌন্দর্য ও আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের নান্দনিকতায় রাঙিয়ে উঠেছে সবে যৌবনে পা দেওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকতেই চোখে পড়বে নান্দনিক সব স্থাপনা, যা দেখামাত্রই যে কাউকে এনে দেবে প্রশান্তির ছোঁয়া।

স্বাধীনতাস্তম্ভ : পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু হলো এই স্বাধীনতাস্তম্ভ। এখান থেকেই শুরু হয় যেকোনো মুক্তির আন্দোলন। বিগত জুলাই আন্দোলনের পাবনাবাসীর কেন্দ্রবিন্দু ছিল পাবিপ্রবির এই স্বাধীনতাস্তম্ভ বা স্বাধীনতা চত্বর।

‘স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা’ স্থাপনাটির দৈর্ঘ্য ৭১ ফুট এবং ৭১ ফুট জায়গাজুড়ে ছড়িয়ে আছে এটি। উচ্চতা ৫২ ফুট। সংখ্যাগুলোই জানিয়ে দেয় বিজয়গাথার ইতিহাস। মূল বেদিটি ছয়টি বৃত্তাকার সিঁড়ির ওপর অবস্থিত। এটি সাত ফুট উঁচু। বৃত্তাকার ছয়টি সিঁড়ি ঐতিহাসিক ছয় দফা নির্দেশ করে, আর সাত ফুট উচ্চতা শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে বুঝিয়েছে। স্থাপনাটির ১৬ ফুট উচ্চতায় ৯টি হাত রয়েছে, এগুলো দিয়ে বোঝানো হয়েছে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৬ ফুট দিয়ে বোঝানো হয়েছে মহান বিজয় দিবস।

স্থাপনাটির সর্বোচ্চ চূড়ায় আমাদের মুক্তির বার্তা দেওয়া হয়েছে। একজন পুরুষ এবং একজন নারীর দুহাত চারটি কবুতরকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এতে দুটি বিষয় সন্নিবেশিত হয়েছে। প্রথমত, কবুতর মুক্তি আমাদের পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভকে বোঝানো। দ্বিতীয়ত, চার কবুতর দিয়ে আমাদের মহান সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির প্রতীককে বোঝানো হয়েছে।

প্রধান ফটক : পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের ডিজাইনে তৈরি অনন্যসুন্দর স্থাপনা পাবিপ্রবির প্রধান ফটক। স্থাপনাটি ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের ধার দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছ, যা ক্যাম্পাসের মূল প্রতীক হিসেবে গড়ে উঠেছে।

শহীদ মিনার : বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যতিক্রম ও সুন্দর শহীদ মিনার রয়েছে পাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে। পাবিপ্রবির স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী মাহবুব হাসান ত্বহার নিজস্ব ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে এই মিনারটি। মিনারের পাদদেশে রয়েছে প্রশস্ত একটি কালো দেয়াল, যা প্রতীক করে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেওয়া উর্দু ভাষার দমননীতি ও বাঙালিদের ওপর তাদের অন্যায় নিপীড়নকে। এর বিপরীতে পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা দেয়ালটি প্রকাশ করে ভাষা আন্দোলনের ন্যায়সংগত দাবি ও শুভশক্তির প্রতিচ্ছবি। আর মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা ৫২ ফুট উচ্চতার সুউচ্চ পিলারটি সেই কালো দেয়ালকে ভেদ করে অসীমের দিকে উঠে গেছে, যা ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, কোনো অন্যায় শক্তিই চিরস্থায়ী নয়—প্রতিরোধ, সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগের মাধ্যমে সত্য ও ন্যায়ের জয় অবশ্যম্ভাবী।

আনন্দ সরোবর লেক : বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে কেন্দ্রীয় মাঠের প্রান্ত ঘেঁষে গড়ে উঠেছে আনন্দ সরোবর লেক। ইংরেজি ‘এল’ বর্ণের আকৃতির এ লেকের পেছনে রয়েছে ছেলেদের আবাসিক হল। লেকটির পূর্বদিকে আছে দৃষ্টিনন্দন জুলাই স্মারক ম্যুরাল। লেকের পূর্বদিকের পাড় ঘেঁষে রয়েছে মনমাতানো সৌন্দর্য ও বাহারি সুগন্ধি ফুলের বাগান। এর উত্তরদিকে আছে ক্যাম্পাসের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রস্থল কবি বন্দে আলী মিয়া মুক্তমঞ্চ।

আনন্দ সরোবর লেকটি কচ্ছপ ও বিভিন্ন জলজ প্রাণীর অভয়ারণ্য। নির্মাণের পরপরই বেশ কিছু কচ্ছপ এবং রঙিন মাছ অবমুক্ত করা হয় এখানে। লেকের পাড়ে বড়শি হাতে বসে শিক্ষার্থীদের মাছ ধরতেও দেখা যায় মাঝেমধ্যে। আবাসিক শিক্ষার্থীদের লেকের পানিতে সাঁতার কাটেন নিয়মিত। সেই সঙ্গে ফটোসেশনের জন্য অত্যন্ত পরিচিত জায়গা এই লেকের পাড়।

মুক্তমঞ্চ : নয়নাভিরাম স্থাপত্য নিদর্শনের আরেক নাম পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কবি বন্দে আলী মিয়া মুক্তমঞ্চ’। মঞ্চটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের ক্রিয়াশীল সাংস্কৃতিক ও মুক্তমনা সংগঠনগুলোর পরিচিত নাম। মঞ্চনাটক, আবৃত্তি, বিতর্ক, নাচ-গানসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আনন্দ সরোবর’ লেকের পাড় ঘেঁষে ‘কবি বন্দে আলী মিয়া মুক্তমঞ্চ’ নির্মিত হয়েছে। মুক্তমঞ্চটি নির্মাণে গ্রিসের সঙ্গে উঁচু-নিচু মৃত্তিকার সাদৃশ্য নিরূপণ করেছেন মঞ্চটির পরিকল্পনাকারী ও নির্মাতারা। মনোহর এই মঞ্চটির নকশা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়েরই স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক স্থপতি বিজয় দাশ গুপ্ত। চারদিক খোলা ও গ্যালারি থেকে নিচু জায়গায় নির্মিত হয়েছে লাল সিরামিক ইটে বাঁধানো দৃষ্টিনন্দন ‘কবি বন্দে আলী মিয়া মুক্তমঞ্চ’। মঞ্চের বিপরীতে ক্রমেই আকাশের দিকে উঠে যাওয়া পাঁচটি সারিতে একসঙ্গে প্রায় ৩০০ দর্শক অনায়াসে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে পারেন। খোলা মঞ্চের পেছনের ‘আনন্দ সরোবর’ লেকের স্নিগ্ধ বাতাস দর্শকদের ক্লান্তি দূরীভূত করে আনন্দের মাত্রাকে আরো উপভোগ্য করে তোলে।

এলিভেটেড ওয়াকওয়ে : ক্যাম্পাসের সবচেয়ে ট্রেন্ডিং ও আকর্ষণীয় জায়গা এখন এলিভেটেড ওয়াকওয়ে। সুউচ্চ পিলারের ওপর দণ্ডায়মান ওয়াকওয়েটি ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান ভবন, ইঞ্জিনিয়ারিং ভবন, একাডেমিক ভবন-১, একাডেমিক ভবন-২-এর সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। আধুনিক ও বাহারি সব ইটপাথরের সংমিশ্রণে স্থাপিত ওয়াকওয়েটি এখন ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে স্থানীয়দের পরিবার, টিকটকার, কাপলসহ সবার ছবি তোলার ও ভিডিও করার প্রিয় জায়গায় পরিণত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্দির : বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় মন্দির রয়েছে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। নকশার দিক দিয়েও দেশের অন্যতম সেরা পাবিপ্রবির এই মন্দিরটি। এখানে হিন্দু-ধর্মাবলম্বী শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের পূজা ও উপাসনা করে থাকেন। বিভিন্ন পূজা-পার্বণে উৎসবমুখর পরিবেশে রাঙিয়ে তোলেন মন্দির এলাকা।

লেখক : ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

অনার্স শেষেও শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পিডিএফ-এর ১৫ সদস্য পাচ্ছেন শিক্ষা বৃত্তি

কুবিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১৬ হাজার পজিশনেও সাবজেক্ট

ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

সাংবাদিক ও ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, ডাকসুর নিন্দা

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষার্থী–সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় ডাকসুর নিন্দা

চবিতে দুইদিনে ১৩ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন

জাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আমার দেশের তাওহীদ, সম্পাদক ওসমান