হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

ক্লাসরুম সংকটের মধ্যেই নতুন ১৬ বিভাগ চালুর পরিকল্পনা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের

প্রতিনিধি, খুবি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) বিদ্যমান ক্লাসরুম সংকট কাটেনি। অধিকাংশ বিভাগে দুই থেকে তিনটি শ্রেণিকক্ষ নিয়েই চলছে পাঠদান। এমন বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে আরো ১৬ বিভাগ চালুর ঘোষণা দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি, এটি তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদনসাপেক্ষে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন বিভাগগুলো চালু করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট হ্যান্ডবুকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ২৯টি বিভাগে মোট ক্লাসরুম রয়েছে ৯৮টি, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। অনেক বিভাগকে মাত্র দুই থেকে তিনটি শ্রেণিকক্ষ নিয়েই পাঠদান চালাতে হচ্ছে। ফলে ক্লাসের সময়সূচি নির্ধারণ, পরীক্ষা আয়োজন ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

জানা গেছে, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগে রয়েছে মাত্র একটি ক্লাসরুম। এগ্রোটেকনোলজি, এডুকেশন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি, হিস্ট্রি অ্যান্ড সিভিলাইজেশন, স্কাল্পচার ও সয়েল, ওয়াটার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগে রয়েছে দুটি করে ক্লাসরুম।

অন্যদিকে রসায়ন, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, ইংরেজি, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি, আইন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ফার্মেসি, পদার্থবিজ্ঞান, প্রিন্টমেকিং ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগে রয়েছে তিনটি করে ক্লাসরুম।

এ ছাড়া বাংলা, ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, অর্থনীতি, গণিত ও পরিসংখ্যান বিভাগে রয়েছে চারটি করে ক্লাসরুম। বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং এবং আরবান অ্যান্ড রুরাল প্ল্যানিং বিভাগে রয়েছে পাঁচটি করে ক্লাসরুম। বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে রয়েছে ছয়টি এবং সর্বোচ্চ সাতটি ক্লাসরুম রয়েছে আর্কিটেকচার বিভাগে।

এ নিয়ে ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, নতুন বিভাগ চালু করা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্ল্যানের অংশ। তবে এখনই নতুন ১৬ বিভাগ চালু করা হচ্ছে না। অবকাঠামোগত সংকট নিরসন, পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ এবং মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হওয়ার পর ভবিষ্যতে এসব বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরো জানান, খুলনার পাইকগাছায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস চালু হলে সেখানে প্রাথমিকভাবে চার থেকে পাঁচটি বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, নতুন ১৬ বিভাগ চালুর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ; এটি তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের বিষয় নয়। নতুন বিভাগ চালুর ক্ষেত্রে ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো, পরিধি, শিক্ষক সংখ্যা ও শিক্ষার মান বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি জানান, দুবছর আগে ভাষা শিক্ষা বিভাগ চালুর অনুমোদনের জন্য আবেদন করা হলেও এখনো অনুমোদন মেলেনি। তাই প্রয়োজনীয় সক্ষমতা ও অবকাঠামো নিশ্চিত হওয়ার পরই নতুন বিভাগ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ বিভাগের ক্লাসরুম সংখ্যা তিনটির বেশি নয়। অথচ প্রতিটি বিভাগে একাধিক বর্ষ, সেমিস্টার ও ব্যাচের নিয়মিত ক্লাস পরিচালনা করতে হয়। তাই নতুন বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান ক্লাসরুম সংকট নিরসন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ এবং শ্রেণিকক্ষের কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাউজানে যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই সক্রিয় দালালচক্র, আবারও কি ফাঁদে বাংলাদেশিরা?

পৌনে ৪ লাখ আবেদন, তবুও মেলেনি যোগ্য প্রার্থী, শূন্য ২৩৪৩ ক্যাডার পদ

শাপলা গণহত্যা মামলায় পেছাল শুনানি, পরবর্তী তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর

ঈদগাঁওয়ে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ধ্বংস করা হলো মাদকের আখড়ার ঝুপড়ি

নিহত আনসার কর্মকর্তার পরিবারের পাশে বাহিনীর ডিজি

নারী হকি খেলোয়াড় অন্বেষণ

টিকিটের আবেদন শুরু আট মাস আগেই

কসমেটিকস মেলায় রিমার্কের পণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে মির্জা আব্বাসের শ্রদ্ধা