হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

চুয়েটে ৫৬ দিনের উপাচার্যের জন্য ১৩ দিনের আন্দোলন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ১৩তম দিনে গড়িয়েছে। শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পূর্ণ কর্মবিরতি এবং অবস্থান কর্মসূচিও অব্যাহত রয়েছে।

গতকাল রোববারও শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপাচার্য ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। একই সঙ্গে পূর্ণ কর্মবিরতি অব্যাহত রাখেন।

টানা ১৩ দিন ধরে উপাচার্য ভবনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলছে। এতে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না। গতকাল দুপুরে শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে অবস্থান নেন। তবে এদিন তারা কোনো বিক্ষোভ মিছিল করেননি।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে তারা অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। উপাচার্যের কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে সেখানে শিক্ষার্থীরা লিখে দিয়েছেনÑ‘এই তালা শুধু সায়েম স্যার খুলতে পারবেন।’

চুয়েটের সহকারী অধ্যাপক সামিউন বাসির বলেন, গত শনিবার চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় চুয়েটের বর্তমান পরিস্থিতি এবং অধ্যাপক আবু সাদাতকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

তিনি বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধৈর্য নিয়ে শুনেছে। আশা করি উপস্থাপিত বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করে চুয়েটের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে একটি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চুয়েটের কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রীয়তোষ চক্রবর্তী বলেন, আমরা দাবি আদায়ে অনঢ় আছি। সায়েম স্যারকে বহাল করতে হবে। আমরা সরকারের উচ্চপর্যায়ের কাছে সে দাবি তুলে ধরেছি। আশা করি সরকার চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে এগিয়ে আসবে।

গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে ৫৬ দিনের মাথায় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে ভিসি করা হয়।

এরপর ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে শিক্ষার্থীদের ‘সর্বাত্মক শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে। আন্দোলনের কারণে নিয়োগ পাওয়ার ১৩ দিনেও ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারেননি নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম।

রাবিতে ছাত্রদলের হামলায় ৪ সাংবাদিকসহ আহত ১০

‘ফ্যাসিবাদবিরোধী বিশ্বজিৎ চত্বর’ নির্মাণের ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

ফেসবুক কমেন্ট ঘিরে রাকসু নেতাকে হুমকি, হকিস্টিক নিয়ে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল নেতা

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য ট্রেনিং একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ইউজিসির

ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, থাকবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী

কাগজবিহীন পরীক্ষার যুগে রাবি, পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম চালু

শাবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সাড়ে পাঁচ বছরের প্রকল্প শেষ হয়নি এক দশকেও

ভুয়া পুলিশ পরিচয়ে খুবি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ

বাস্তব সমস্যা সমাধানে গবেষণায় জোর দিতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান