ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে এখন ‘নিরাপদ দেশ’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অভ্যন্তরীণ বিষয় ও অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার।
সোমবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ কথা জানান। বাংলাদেশের বর্তমান স্থিতিশীল সরকার ও সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে, ইইউ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার।
বৈঠকে ব্রুনার জানান, বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বিভিন্ন দেশে প্রায় পাঁচ লাখ বাংলাদেশি বৈধভাবে বসবাস করছেন। একই সঙ্গে অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধের পাশাপাশি বৈধ পথে অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণে ইইউ সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৈঠকে বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ এবং বৈধ পথে বিদেশে কর্মী পাঠানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
এ সময় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, অনিয়মিত অভিবাসন বন্ধ এবং অভিবাসন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৫২টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
বৈধ অভিবাসন নিশ্চিত করা, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
এআরবি