মাদককান্ডে মেহজাবীন
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল বিদেশি মদসহ আটক এবং কাস্টমসের ‘রহস্যজনক’ ছাড় পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, তাঁর স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীব ও পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্তের বিরুদ্ধে।
মাদককাণ্ডের বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন মেহজাবীন। এর প্রেক্ষিতে আজ, রোববার এক ফেসবুক পোস্টে অভিনেত্রী অভিযোগ করেন, তাঁকে টার্গেট করে বারবার মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
মেহজাবীন লেখেন, ‘পাশাপাশি আরও উল্লেখ করতে চাই, সাম্প্রতিক সময়ে এআই (Artificial Intelligence) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক আর্টিস্টদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে; যা একেবারেই কাম্য নয়। নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে, এর পেছনে কে বা কারা আছে তা আমার জানা নেই।’
মেহজাবীন উল্লেখ করেন, আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই, আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক। আশা করি আপনারা সবাই পাশে থাকবেন, ধন্যবাদ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে বিএস-২১৮ ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরেন মেহজাবীন, আদনান আল রাজীব ও শঙ্খ দাসগুপ্ত। বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তল্লাশিতে তাদের লাগেজ থেকে ১৪ বোতল মদ উদ্ধার করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য বিমানবন্দরে অ্যালকোহল বহন সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও, সে সময় মামলা না করেই রহস্যজনক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এমনকি মেহজাবীনের কাছ থেকে কোনো মুচলেকাও নেওয়া হয়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়।
এছাড়াও, মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েন। তবে পরবর্তীতে আদালত থেকে অব্যাহতি পান অভিনেত্রী।