অমর একুশে এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আজ নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যান্ড দল ওয়ারফেজকে ‘একুশে পদক ২০২৬’ প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পদকপ্রাপ্তদের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক’ তুলে দেন।
মরণোত্তর পুরস্কারপ্রাপ্ত আইয়ুব বাচ্চুর পক্ষে পদক গ্রহণ করেন তার স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।
পদক গ্রহণের পর ফেরদৌস আক্তার চন্দনা সামাজিক মাধ্যম লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’।
অন্যদিকে পদক গ্রহণের পর এলআরবির ফেসবুক পেজে একটি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, ‘আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি এই রাষ্ট্রীয় সম্মান শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি তার আজীবন সঙ্গীতসাধনার প্রতি জাতির গভীর শ্রদ্ধা। বাংলা রকের পথচলায় তিনি যে সাহস, সততা এবং নতুনত্বের পরিচয় দিয়েছেন, তা আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং বিশ্বমঞ্চে আলাদা পরিচয় এনে দিয়েছে। এই সম্মান প্রদানের জন্য আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। রাষ্ট্র যখন একজন শিল্পীর অবদানকে স্বীকৃতি দেয়, তখন তা শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো সঙ্গীতাঙ্গনকেই সম্মানিত করে। এটি নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্যও এক বড় অনুপ্রেরণা।’
বক্তব্যে আরও বলা হয়, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আইয়ুব বাচ্চুর অবদান আরও বৃহত্তর স্বীকৃতির দাবিদার। তার সৃষ্টিশীলতা, দেশপ্রেম এবং সাংস্কৃতিক প্রভাব বিবেচনায় স্বাধীনতা পদকের মতো সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান একদিন তাঁর নামের পাশেও যুক্ত হবে—এই প্রত্যাশা আমাদের হৃদয়ে রয়ে গেছে।’
শেষ বলা হয়, ‘আইয়ুব বাচ্চু আজ নেই, কিন্তু তার সুর আছে। তার সাহস আছে। তার স্বপ্ন আছে। আর সেই স্বপ্নই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে শক্তি দেয়। ধন্যবাদ সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’