গতকাল স্টার সিনেপ্লেক্সে ১৯ ও লায়ন সিনেমাসের ৩টি শো মিলিয়ে ‘রইদ’-এর মোট ২২টি শো অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩টি শো প্রায় পূর্ণ দর্শক উপস্থিতি নিয়ে প্রদর্শিত হয়েছে। ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া সিনেমার লড়াইয়ে দশম দিনে মাল্টিপ্লেক্সে নতুন মোড় দেখা গেল। শো প্রতি দর্শক উপস্থিতি ও আয়ের হিসাবে এদিন আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’-কে ছাড়িয়ে গেল মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’।
বাংলা চলচ্চিত্রের বাণিজ্য বিশ্লেষক ফেসবুক পেজ বিএমআরের তথ্যানুসারে, মুক্তির দশম দিনে ই-টিকিটভুক্ত মাল্টিপ্লেক্সগুলোয় ‘রইদ’ প্রথম স্থানে ছিল। গতকাল স্টার সিনেপ্লেক্সে ১৯ ও লায়ন সিনেমাসের ৩টি শো মিলিয়ে ‘রইদ’-এর মোট ২২টি শো অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৩টি শো প্রায় পূর্ণ দর্শক উপস্থিতি নিয়ে প্রদর্শিত হয়েছে। এদিন সিনেমাটি আয় করে ১০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। এতে মোট মাল্টিপ্লেক্স গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে চলতি বছরের অষ্টম চলচ্চিত্র হিসেবে ই-টিকিটিংয়ের আওতাভুক্ত প্রেক্ষাগৃহগুলো থেকে ১ কোটি টাকার ক্লাবে প্রবেশ করেছে ‘রইদ’।
অন্যদিকে মুক্তির দশম দিনে মাল্টিপ্লেক্সে নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি ‘রকস্টার’। এদিন স্টার সিনেপ্লেক্সে ৩৫টি, লায়ন সিনেমাসে ৬, গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটারের ৩, মম ইনে ৩টি, মনিহার সিনেপ্লেক্সে ৪, মধুবন সিনেপ্লেক্সে ৪, সিনেস্কোপে ৪, শ্যামলি সিনেমায় ৪, স্বপ্নীল সিনেপ্লেক্সে ৪ এবং কে-স্ক্রিনে ২টি শোসহ মোট ৬৯টি শো চলেছে। তবে কোনো শোই হাউসফুল হয়নি। এদিন ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা আয় ‘রকস্টার’। দশদিন শেষে মোট মাল্টিপ্লেক্স গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। তবে দেশের বেশিরভাগ সিঙ্গেল স্ক্রিনে প্রদর্শিত হচ্ছে শাকিব খান ও সাবিলা নূর অভিনীত ‘রকস্টার’।
সামগ্রিক আয়ের দিক থেকে এখনো সিনেমাটি এগিয়ে রয়েছে। আর মুক্তির দশম দিনে সীমিতসংখ্যক শো নিয়েও ‘রইদ’ এগিয়ে গেল মাল্টিপ্লেক্সে। এটি বলে দিচ্ছে, শহর এলাকায় নাজিফা তুষি ও মোস্তাফিজুর নূর ইমরানের সিনেমাটির চাহিদা বাড়ছে।