হোম > ফিচার

যেভাবে পলাশী আসে

মোহাম্মদ আবদুল মান্নান

পর্ব-১: ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির সময় থেকে ১৩৩৮ সাল পর্যন্ত ১৩২ বছরে অন্তত ২৩ জন মুসলিম শাসক বাংলাদেশ শাসন করেন। এরপর ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ সোনারগাঁর শাসক হওয়ার সময় থেকে ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত ২০০ বছর স্বাধীন সুলতানি আমলরূপে চিহ্নিত হয়। পাঠান শাসক শের শাহের সময় (১৫৪০-৪৫) কয়েক বছর বাংলাদেশ দিল্লির সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরপর সুলায়মান কররানি ও দাউদ খান কররানি স্বাধীন সুলতানরূপে বাংলাদেশ শাসন করেন।

দিল্লির সম্রাট আকবরের সময় (১৫৫৬-১৬০৫) বাংলায় ১৫৭৬ সালে মোগল কর্তৃত্ব নামেমাত্র কায়েম হলেও আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহীর ব্যাপারে জৌনপুর ও বাংলার প্রধান কাজীর ঐতিহাসিক ফতোয়ার কারণে বাংলায় মোগলদের নিয়ন্ত্রণ রাজমহল বা আকবরনগরসহ কয়েকটি দুর্গে সীমিত ছিল। ১৬০৫ সালে আকবরের মৃত্যুর পর জাহাঙ্গীর (১৬০৫-১৬২৭) সম্রাট হন। তিনি মুজাদ্দিদে আলফেসানির প্রভাবে দ্বীন-ই-ইলাহীর ফিতনা থেকে মুক্ত হয়ে মুজাদ্দিদে আলফেসানির খলিফা ইসলাম খান চিশতিকে বাংলায় সুবাহদার করে পাঠান। ঈসা খানের ছেলে মুসা খানের নেতৃত্বে বাংলার বারো ভূঁইয়ারা তখন মোগল কর্তৃত্ব মেনে নেন। ১৬০৮ সালে ইসলাম খান চিশতী ঢাকাকে জাহাঙ্গীরনগর নামে সুবা বাংলার রাজধানী করেন।

১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ প্রহসনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ৫৫০ বছরের মুসলিম শাসনের কার্যত অবসান ঘটে। ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধের পর ১৭৬৫ সাল থেকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির খ্রিষ্টান বণিকরা বাংলার রাজস্ব কর্মকর্তা নামে বাংলার শাসন ক্ষমতার অংশীদার হন। ১৭৬৮ সালে তারা রাজস্ব অফিস মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় নেন। ১৭৭২ সালে কলকাতায় সুপ্রিম কোর্ট উদ্বোধনের সঙ্গে তারা দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটিয়ে ঔপনিবেশিক শাসন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।

বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ক্ষমতা দখল এবং এর পর পুরো হিন্দুস্তানে তাদের শাসনের বিস্তার কোনো স্বাভাবিক শাসক বদলের ঘটনা ছিল না। এর পেছনে কাজ করেছে জটিল মনস্তত্ত্ব-প্রভাবিত কুটিল ষড়যন্ত্র। ১৭৫৭ সালের পলাশী ও ১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধপ্রহসনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে শুধু শাসক বদল ঘটেনি। কিংবা এর ফলে ঢাকা-মুর্শিদাবাদের ভাগ্য বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে স্যাঁতসেঁতে জলাভূমি থেকে মহানগরী হিসেবে কলকাতার অবাক উত্থান শুধু ঘটেনি। পলাশীর অভিঘাত আরো অনেক গভীর ও ব্যাপক। এর মধ্য দিয়ে সাড়ে পাঁচশ বছরের মুসলিম শাসনের সামাজিক সাংস্কৃতিক অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক প্রায় সমুদয় অর্জনগুলো ধ্বংস করা হয়। জনজীবনে নানামুখী ভয়ংকর বিপর্যয় সৃষ্টি করা হয়। একশ্রেণির বর্ণহিন্দুর সহযোগিতায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুবা বাংলায় নজিরবিহীন ভয়াবহ গণনিপীড়ন চালায়। সে অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেই স্কটিশ অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথ যেকোনো বণিক কোম্পানির শাসন পৃথিবীর সব ধরনের শাসনব্যবস্থার মধ্যে নিকৃষ্টতম বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান।

পলাশীর পর বিশেষভাবে বাংলার মুসলমানরা দীর্ঘ সময় ধরে ইংরেজ খ্রিষ্টান বণিক ও তাদের সহযোগী বর্ণহিন্দু জমিদারদের জুলুম, শোষণ, নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হন। এর গভীরতা ও ব্যাপ্তি অতীতের সেন আমলে আর্য-ব্রাহ্মণ্যবাদীদের হাতে বৌদ্ধ নিপীড়নের চেয়েও ভয়াবহ ছিল। আর্য-ব্রাহ্মণ্য দুঃশাসনের মুখে বাংলায় বৌদ্ধ সভ্যতা বিলীন হয়েছে। কিন্তু বাংলার মুসলমানরা এর চেয়ে ভয়াবহ জুলুম-নির্যাতন মোকাবিলা করে নিজেদের আত্মপরিচয় টিকিয়ে রাখতে পেরেছেন তাদের কাছে কোরআন ও সুন্নাহ সংরক্ষিত থাকার কারণে। বাংলাদেশে মুসলিম শাসন অবসানের প্রেক্ষাপট উপলব্ধি এবং তার থেকে উত্তরণের তাৎপর্য উপলব্ধির জন্য ইংরেজ আগমনের আগের ও পরের কয়েকটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা সামনে রাখা দরকার। এখানে সীমিত পরিসরে কিছু বিষয়ে অতি সংক্ষেপে আলোকপাতের চেষ্টা করছি—

এক. ১৫ শতকে গণেশের রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ও নূর কুতুব-উল-আলম

বাংলায় ৫৫০ বছরের মুসলিম শাসনামলে এই শাসন উৎখাতের জন্য প্রথম চেষ্টা হয় ২০০ বছরের মাথায়। ১৫ শতকের শুরুর দিকে ইলিয়াসশাহী সুলতানি দরবারের ব্রাহ্মণ অমাত্য দিনাজপুরের ভাতুড়িয়ার জমিদার গণেশ ১৪১০ থেকে ১৪১৪ সাল পর্যন্ত প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একাধিক সুলতানকে হত্যা করে ১৪১৫ সালে মসনদে বসেন। ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার গণেশের স্বল্পকালস্থায়ী শাসনামলকে ‘হিন্দু শাসন প্রতিষ্ঠা ও হিন্দু ধর্মের প্রাধান্য স্থাপনের প্রচেষ্টা’ বলেছেন। গণেশ মসনদে বসেই মুসলিম শাসনের বিরুদ্ধে বর্ণহিন্দুর দুই শতাধিক বছরের পুঞ্জীভূত আক্রোশ পুঁজি করে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করার সংকল্প করেন। তিনি তার স্বল্পকালস্থায়ী শাসনকালে বহু ইসলাম প্রচারক আলেম ও দরবেশকে হত্যা করেন। বিখ্যাত আদিনা মসজিদকে তিনি কাছারি বাড়িতে পরিণত করেন। গৌড়ের জনমান্য আলেম শায়খ বদরুল ইসলাম গণেশকে কুর্নিশ করতে রাজি না হওয়ায় তাকে দরবারে তার ভাইদের সঙ্গে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে শহীদ করা হয়। একই দিনে পাণ্ডুয়ার বহু দরবেশ ও আলেমকে পানিতে ডুবিয়ে শহীদ করা হয়। মুসলিম শাসনামলের বহু কীর্তি গণেশ ধ্বংস করেন।

গণেশের হাজারো অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে বাংলার আলেম ও দরবেশরা মাথা নত না করে যেভাবে সাহস ও প্রজ্ঞার সঙ্গে গণেশের সৃষ্ট কঠিন ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন, তা ঐতিহাসিকদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সে সময়ের বিখ্যাত আলেম নূর কুতুব-উল-আলমের নেতৃত্বে তারা জনগণকে সংগঠিত করে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়াও বাংলার আশপাশের আলেম ও শাসকদের সঙ্গে বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক যোগাযোগ করেন। নূর কুতুব-উল-আলম জৌনপুরের বিখ্যাত দরবেশ শায়খ আশরাফ সিমনানীসহ সমকালীন বড় বড় আলেমকে বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে চিঠি লিখে অবহিত করেন। তিনি জৌনপুরের সুলতান ইব্রাহিম শর্কির সঙ্গেও চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। (গোলাম হোসেন সলীম : রিয়াজুস সালাতীন (বাংলা তরজমা) পৃ. ১০৮ ও ১৪৬)

নূর কুতুব-উল-আলম এ সময় জৌনপুরের সুলতান ইব্রাহিম শর্কিকে লেখেন, ‘প্রায় ৩০০ বছর বাদে ইসলামি ভূমি বাংলাদেশে ঈমান ধ্বংসকারী কাফিরদের কালোছায়া পড়েছে। দেশ এখন অন্ধকারে ছেয়ে গেছে। মুসলমানদের ইজ্জত-সম্ভ্রম অবলুণ্ঠিত। দেশের প্রতিটি কোণে ইসলামের যে প্রদীপগুলো তার জ্যোতি বিকিরণ করে মানুষকে সত্য পথ প্রদর্শন করত, কানস রায়ের (গণেশ) সৃষ্ট অবিশ্বাসের ঝড়ের ছোবলে পড়ে সে প্রদীপগুলো নিভে যাচ্ছে। ইসলামের পীঠস্থানের এই দুর্দিনে কীভাবে আপনি শান্ত ও সুখী মনে সিংহাসনে বসে আছেন? উঠুন এবং দ্বীনের হেফাজতে এগিয়ে আসুন। এখানে দাউদাউ করে কুফরির আগুন জ্বলছে আর আপনি আপনার তলোয়ার খাপে ভরে রেখেছেন। ... বাংলাদেশকে দুনিয়ার জান্নাত বলা হয়। কিন্তু তা আজ জাহান্নামের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। ... প্রত্যেকের ওপর এমন অত্যাচার করা হচ্ছে, যা লিখে বর্ণনা করা সম্ভব নয়। আর এক ঘণ্টাও আপনি সিংহাসনে বসে বিশ্রাম করবেন না...।’

নূর কুতুবের বাবা শায়খ আলাউল হকের ছাত্র জৌনপুরের শায়খ আশরাফ সিমনানীর ভক্ত ছিলেন সুলতান ইব্রাহিম শর্কি। শায়খ সিমনানী সুলতান শর্কিকে বাংলার পরিস্থিতিতে তার করণীয় সম্পর্কে বিশেষ নসিহত করেন। তিনি তাকে বাংলায় অভিযানের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন এবং তার অভিযানের সাফল্য কামনা করে অন্তত তিনটি চিঠি লেখেন। শায়খ সিমনানী তার একটি চিঠিতে লেখেন, ‘দ্বীনদার শাসকের পক্ষে মুসলমানদের দ্বীন ও ইমানের হেফাজতের জন্য সেনাবাহিনী পরিচালনার চেয়ে মূল্যবান কর্তব্য আর কিছুই নেই।’ আশরাফ সিমনানী বাংলার বিখ্যাত দরবেশ শায়খ হোসাইন যোক্করপোশ ও নূর কুতুবকে দুটি আলাদা চিঠি লিখে জানান, ‘সুলতানের নিশান ও তার বাহিনী ইতোমধ্যেই আপনাদের দেশের দিকে রওনা হয়েছে। সুলতান তার বাহিনীর সাহায্যে কাফিরদের তাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আশা করছি, মুসলমানগণ কানস রায় (গণেশ) ও তার লোকদের কবল থেকে মুক্তি পাবেন।’ (সুখময় মুখোপাধ্যায় : বাংলার ইতিহাসের দুশো বছর, পৃ. ১০৯-১১০, ১১৩)

সুলতান ইব্রাহিম শর্কি এক বিরাট সেনাবাহিনী নিয়ে গণেশের বিরুদ্ধে জৌনপুর থেকে যুদ্ধযাত্রা করেন। তিনি গৌড়ের কাছাকাছি হওয়ার পর গণেশ বিনা যুদ্ধে পলায়ন করেন। তার ছেলে যদু ওরফে জিতমল নূর কুতুবের হাতে ইসলাম কবুল করে জালালউদ্দীন মুহাম্মদ শাহ নাম নিয়ে বাংলার শাসক হন। তিনি মুসলিম শাসনের ধারাবাহিকতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন ঘটনার আলোকে মনে করা হয়, যদু আগে থেকেই নূর কুতুবের অনুসারী ছিলেন এবং তিনি আগেই ইসলাম কবুল করেছিলেন। সে কারণে তাকে মসনদে বসিয়ে নূর কুতুব নিশ্চিত মনে ইব্রাহিম শর্কিকে সীমান্ত থেকেই ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করতে পেরেছিলেন। (Dr. Q. H. Dani: Bibliography of the Muslim Inscriptions of Bengal, p-122)

গণেশের পর নতুন কৌশলে তার ছেলেকে বন্দি করে দ্বিতীয়বার অল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা দখল করেছিলেন। এ সময় তিনি মুসলমানদের ওপর আরো বেশি জুলুম শুরু করেন। নূর কুতুবের দুই ছেলে শায়খ আনোয়ার ও শায়খ জাহিদকে তিনি সোনারগাঁয়ে নির্বাসিত করে সেখানেই শায়খ আনোয়ারকে হত্যা করান। সেই দিনই গণেশেরও অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। জালালউদ্দীন ১৪১৮ সালে দ্বিতীয়বার মসনদে বসে বাংলায় ৫৫০ বছরের মুসলিম শাসনের ধারাবাহিকতা পুনরুদ্ধার করেন। তিনি তার মুদ্রায় কলেমা খোদাই করেন। আরাকানের মুসলিম শাসককে মসনদে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন। তার শেষের দিকের মুদ্রা ও শিলালিপিতে তিনি ‘খলিফাতুল্লাহ’ বা আল্লাহর খলিফা খেতাব ব্যবহার করেন। (সুখময় মুখোপাধ্যায় : বাংলার ইতিহাসের দুশো বছর, পৃ. ১৫৯)

পনেরো শতকের শুরুতে বাংলার প্রখ্যাত আলেমদের শক্তিশালী ভূমিকার কারণে গণেশের পতন কীভাবে সম্ভব হলো, তা পরিবর্তিত পটভূমিতে বিস্ময়কর মনে হওয়া স্বাভাবিক। তখনকার ইসলাম প্রচারক আলেম ও দরবেশ জনগণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। তাদের খানকাহ ছিল ক্ষুধার্তের লঙ্গরখানা, পীড়িতের শুশ্রূষাকেন্দ্র, নিরক্ষরের বিদ্যালয় এবং সর্বসাধারণের মিলনকেন্দ্র। আলেমরা জনগণের চাওয়া-পাওয়া, দাবি ও আকাঙ্ক্ষার প্রকৃত প্রতিনিধি ছিলেন। শাসক ও জনগণের মধ্যে তারা ছিলেন সবচেয়ে কার্যকর যোগসূত্র। তারা জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মুসলিম শাসকদেরকে সম্পৃক্ত করার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম ছিলেন। তাদের ভূমিকা মুসলিম শাসনকে সব সময় জনকল্যাণের ধারায় উদ্বুদ্ধ করেছে। তারা তাদের নিঃস্বার্থ খেদমত ও ত্যাগের মাধ্যমে নিজেদের জনগণের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন। সে কারণেই ঐতিহাসিকরা মসনদের শাসকদের তুলনায় জনগণের হৃদয়রাজ্যের এই শাসকদের ‘রিয়েল কিংস অব বেঙ্গল’ বলেছেন। তাদের ভূমিকার কারণেই ১৫ শতকের গোড়ার দিকে গণেশের ‘রাজনৈতিক অভ্যুত্থান’ ব্যর্থ হয়ে মুসলিম শাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষা পায়।

লেখক : ইতিহাসবিদ ও সাবেক এমডি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ

হোসেনী দালান

ঢাকায় মহররম ও আশুরা উদ্‌যাপনের ঐতিহ্য

স্বাস্থ্যের উপ-পরিচালকের মন্তব্যে তোলপাড়, সাংবাদিকদের প্রতিবাদ-নিন্দা

কম দামে নতুন এআই স্মার্ট চশমা আসছে বাজারে

দীর্ঘক্ষণ বাইক চালালে কী হয়

মানসিক সুস্থতার ৮ উপায়

কার্ডিওজেনিক শক

এআই প্রযুক্তির প্রভাব, এক বছরে ২১ হাজার কর্মী ছাঁটাই করলো ওরাকল

প্রতিবন্ধী হয়েও যারা স্বনামখ্যাত

বাবার জন্য ভালোবাসা