হোম > ফিচার > ক্যাম্পাস

নিয়োগ আটকাতে বিভাগীয় সভাপতিকে অপহরণের অভিযোগ, উত্তপ্ত ইবি

প্রতিনিধি, ইবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের নিয়োগ বোর্ড আটকাতে বিভাগীয় সভাপতি সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েলকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ’র বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দিনভর উত্তপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।

বুধবার বেলা ১২ টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল নিয়ে ব্যবসায় প্রশাসন ভবন ঘুরে প্রধান ফটকে তালা দিয়ে পরবর্তীতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতারা। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবীর,মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী, সোচ্চারের সভাপতি রাহাত আবদুল্লাহসহ শতাধিক শিক্ষার্থী।

জানা যায়, এদিন সকাল ১০টায় বিভাগের নিয়োগ বোর্ড থাকায় সকাল ৮টায় অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম ঝিনাইদহে নিজ বাসভবন থেকে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে বের হলে তাকে একটি বাইকে তুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ একটি ফেসবুক পোস্টে নিজের অবস্থান নিয়ে লেখেন, আজ সকালে THM বিভাগের সন্মানিত চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম জুয়েল নিরাপত্তাহীনতায় থাকায় আমাকে সকালে ফোন দিয়েছিল এবং আমি নিজে সশরীরে গিয়ে তাকে নিয়ে আসি। সহকারী অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জুয়েল আমার দীর্ঘদিনের পরিচিত ছোটভাই। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এবং রেজিস্টার ব্যক্তিগতভাবে তাকে হুমকি ধামকি দিয়েছে এবং গতপরশু সোমবার প্রক্টরের নির্দেশে THM বিভাগে গুটিকয়েক লোক পাঠিয়ে দরজা বন্ধ করে তাদের ৪ জন শিক্ষককে জোর পূর্বক মারধর হুমকি দিয়ে শিক্ষক নিয়োগের প্ল্যানিং করেছে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। ৪ জন শিক্ষককে প্রাণ নাশের হুমকি এবং সিসি ক্যামেরা ফুটেজ জোর পূর্বক ডিলিট করা হয়েছে।

গতকাল এবং আজ প্রক্টর তাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। এজন্য নিরাপত্তার স্বার্থে জুয়েল আমার কাছে ছিলো। জুয়েল এই মুহূর্তে তার নিজ বাসা ঝিনাইদহে অবস্থান করছে।

অপহরণের বিষয়ে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম জুয়েল ফেসবুক লাইভে বলেন, আমি বাসায় আছি এবং নিরাপদে আছি। আমার নিরাপত্তাহীনতার জন্য সকাল ৯টায় সাহেদ ভাই আমাকে আমার বাসায় দিয়ে যায়। আমি কোনো রকমের অপহরণে শিকার হই নাই। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার কর্মীরাও আছে। গত পরশু দিন বিভাগে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল। সেই থেকে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম। এখন নিরাপদে আছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি জানার পর আমাদের দুজন সিকিউরিটি অফিসারকে তার বাড়িতে পাঠানো হয় এবং সে তখন নিজ বাড়িতেই উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ডিবি অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে আমাদের প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এছাড়া উক্ত বিভাগের সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সুস্থভাবে না ফেরা অব্দি শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

চার মাসের কাজের ফিরিস্তি প্রকাশ করল জাকসু

রাবির ‘বি’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

চবি সাংবাদিককে ‘পাহাড়ে নিয়ে মারার’ হুমকি ছাত্রদল নেতার

ছুরি ধরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছিনতাই, নেপথ্যে ছাত্রদল কর্মী

ওসমান হাদি হত্যার বিচার চেয়ে ঢাবিতে স্মরণসভা

রাবির অর্ধশতাধিক নবীন শিক্ষককে নিয়ে ৫ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা

বিপিএলের ট্রফি নিয়ে রাবিতে ছাদখোলা বাসে এলেন শান্ত–মুশফিকেরা

ইবিতে সাজিদ হত্যার বিচারের দাবিতে ফের মানববন্ধন

হাবিপ্রবিতে ‘এ’ ইউনিটে, প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৫২ জন

জামায়াত নেতার বিস্ফোরক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়