হোম > ফিচার > আমার জীবন

সাহরির তিন পদ

তাহমিনা পারভীন

সিয়াম সাধনার এই মাসটি আত্মশুদ্ধি ও সংযমের বিশেষ সময়। রোজায় দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকতে হয়। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে নিজের ফিটনেস ধরে রাখতে হলে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। তাই সাহরির খাবার হতে হবে পুষ্টিকর, সহজপাচ্য ও তৃপ্তিদায়ক। সাহরিতে ভারসাম্যপূর্ণ স্বাস্থ্যকর, পরিকল্পিত ও সুষম খাবার খেতে হবে।

চিতল মাছের কোফতা

উপকরণ : চিতল মাছের পিঠের অংশ ৬০০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, পেঁয়াজবাটা ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজের বেরেস্তা ৩ টেবিল চামচ, আদাবাটা ২ চা চামচ, রসুনবাটা ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ, পোস্তবাটা ১ টেবিল চামচ, কাজুবাটা ১ টেবিল চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, গরমমসলার গুঁড়া ১ চা চামচ, ঘি ৩ টেবিল চামচ, দারুচিনি ৩ টুকরা, এলাচি ৫টি, লবঙ্গ ৪টি, তেজপাতা ২টি, মালাই আধা কাপ, দুধ ১ কাপ, চিনি ১ চা চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ পাঁচটি, লবণ স্বাদমতো ও তেল পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে মাছের চামড়া ছাড়িয়ে কাঁটা বেছে নিতে হবে। এবার এই মাছে আধা চা চামচ আদা-রসুনবাটা, আধা চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়া, সামান্য লবণ, লেবুর রস ও ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে গোল গোল কোফতা গড়ে নিন।

বাঁধাকপি দিয়ে মুরগি

উপকরণ : দেশি মুরগি ১টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, বাঁধাকপি ২ কাপ (বড় করে কাটা) রসুনবাটা ১ চা চামচ, আদাবাটা ১ চা চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, মরিচের গুঁড়া পরিমাণমতো, জায়ফল জয়ত্রী বাটা আধা চা চামচ, ধনেবাটা ১ চা চামচ, আস্ত গরমমসলা ও জিরা টেলে গুঁড়া করা আধা চা চামচ, তেজপাতা ২টি, আস্ত দারুচিনি ২ টুকরা, আস্ত এলাচি ৪-৫টি।

প্রস্তুত প্রণালি : মুরগি ভালো করে ধুয়ে নিয়ে লবণ, আদা ও রসুনবাটা দিয়ে ম্যারিনেট করে রাখুন। কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজকুচি দিয়ে বাদামি করে ভাজতে হবে। আদাবাটা, রসুনবাটা দিয়ে ভালো করে কষান। একে একে ধনেবাটা, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, আস্ত গরমমসলা, তেজপাতা ও লবণ দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। পরিমাণমতো পানি দিতে হবে। কষানো শেষে মসলা থেকে তেল ছাড়লে ম্যারিনেট করা মাংস দিন। ভালো করে নাড়তে হবে জায়ফল জয়ত্রীবাটা দিয়ে। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে বাঁধাকপির টুকরো দিন। বাঁধাকপি দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে রাখুন। ৫-১০ মিনিট করে জিরা, গরমমসলার গুঁড়া দিতে হবে। একটু ঘি দিয়ে নামিয়ে ফেলুন।

ইলিশের ডিম ভুনা

উপকরণ : ইলিশের ডিম ৫টি, পেঁয়াজকুচি ২ কাপ, হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ, মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, সরষের তেল আধা কাপ ও পানি প্রয়োজনমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : চুলায় ফ্রাইপ্যান বসিয়ে সরষের তেল গরম করে নিন। তার মধ্যে পেঁয়াজকুচি দিয়ে হালকা বাদামি রঙ করে ভেজে নিন। এরপর সব মসলা একে একে দিয়ে দিন। তারপর কিছুক্ষণ ভালো করে নেড়ে নিন। পরিমাণমতো লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে ভালোভাবে মসলা কষিয়ে নিতে হবে। এরপর মাছের ডিমগুলো কষানো মসলার মধ্যে দিন। কিছুক্ষণ মাঝারি আঁচে রান্না করতে হবে। প্রয়োজনে আরো একটু পানি দিতে পারেন। ইলিশ মাছের ডিমের ঝোল শুকিয়ে এলে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিন। এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন সুস্বাদু ইলিশ মাছের ডিম ভুনা।

সবজি পাকোড়া

উপকরণ : ফুলকপি ১ কাপ, গাজর আধা কাপ, পাতাকপি ১ কাপ, টমেটো ১টা, আলু ১টা, শিম ৮-২০টা, আদাবাটা ১ চা চামচ, কাঁচামরিচ-কুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, জিরাগুঁড়া ১ চা চামচ, বেকিং পাউডার আধা চা চামচ ও ময়দা ৩ টেবিল চামচ, ডিম ১টা।

প্রণালি : ফুলকপি, গাজর, আলু, শিম ও পাতাকপি-কুচি। এবার বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মেশান। তেল গরম হলে অল্প অল্প করে তেলে দিন। একপাশ বাদামি হলে উল্টে দিন। ভাজা হয়ে গেলে সসের সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন।

ফুলকপির ঝাল পাকোড়া

উপকরণ : ১টি মাঝারি আকারের ফুলকপি টুকরো করে নিতে হবে। আদা-রসুনবাটা আধা চা চামচ, গরমমসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, চিলি পেস্ট ১ চা চামচ, ধনেপাতা-কুচি অল্প পরিমাণ, কারিপাতা-কুচি অল্প পরিমাণ, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, কর্ন ফ্লাওয়ার ৪ চা চামচ, গোলমরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ, পানি পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ ৩-৪টি, তন্দুরি মসলা আধা চা চামচ, তেল ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : টুকরা করা ফুলকপিগুলো ভাপিয়ে নিতে হবে। ময়দার সঙ্গে সব উপকরণ মিশিয়ে পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। ফুলকপি মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। ভাজা হয়ে গেলে তুলে রাখুন। কিছুক্ষণ পরে আস্ত কাঁচামরিচ ও কারিপাতা দিয়ে আবার ভাজতে হবে।

শিশুদের জন্য রমজান যেমন

ঈদের কেনাকাটা

শুরু হোক রোজার প্রস্তুতি

শহীদ ভাইদের স্মরণে

বসন্ত এসে গেছে

নীল দিগন্তে নোনা পানি আর প্রবালের মিতালি

ঘুণপোকা থেকে কাঠের আসবাব রক্ষায় করণীয়

কর্মক্ষেত্রে একঘেয়েমি দূর করতে...

ভিন্ন স্বাদের খাবার

কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রয়োজন মানসিক শক্তি