হোম > জাতীয়

ভারী বৃষ্টিতেও স্বস্তি মেলেনি রাজধানীবাসীর, ভ্যাপসা গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন

স্টাফ রিপোর্টার

সকালে ভারী বৃষ্টি হলেও স্বস্তি মিলেনি রাজধানীবাসীর। সারাদিনে জ্যৈষ্ঠের খরতাপ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তাপমাত্রা না বাড়লেও বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে ভ্যাপসা গরম বেশি অনুভুত হচ্ছে। এ অবস্থা আরো কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়ায় দপ্তর।

এ প্রসঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক আমার দেশকে বলেন, মনে হচ্ছে তাপমাত্রা অনেক বেড়েছে, প্রকৃতপক্ষে আগের দিনের তুলনায় রাজধানীসহ সারাদেশে তাপমাত্রা আগের দিনের তুলনায় কমেছে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরম বেশি অনুভুত হচ্ছে।

তিনি বলেন, শুক্রবার থেকে যে তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে তা আরো কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।

আগের দুইদিন দেশের ১৩ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেলেও রোববার তা কমে ৭ জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে। রোববার মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, সাতক্ষীরা ও যশোর জেলাসমূহের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যায় এবং তা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক জানান, আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারাদেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়লেও এরপর থেকে প্রবণতা কমে আসতে পারে।

এদিকে রোববার ভোর থেকেই রাজধানীর আকাশ ঘন কালো মেঘে ঢেকে যায়, এরপর শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, পরে নামে ভারী বর্ষণ। এভাবে ভোর থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টি হলেও সকাল ৯টার পরেই রৌদ্দোজ্জ্ব আকাশে জ্যৈষ্ঠের খরতাপ বয়ে যায়। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় সারাদিন প্রচন্ড ব্যাপসা গরম অনুভুত হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ৬০ মিলিমিটার। রোববার সারাদেশের মধ্যে টাঙ্গাইলে সর্বোচ্চ ৬৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে বরিশাল ও খুলনা বিভাগে মোটেও বৃষ্টি হয়নি। এদিকে রোববার সকালে অল্পসময়ে বেশি বৃষ্টির কারণে ঢাকায় বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং কর্মমুখী ও অফিসগামী মানুষকে পড়তে হয় বিড়ম্বনায়। অবশ্য সকাল ১০টার পরেই জলাবদ্ধতা কেটে যায়।

রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এতে বর্ধিত ৫ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বেড়ে ভ্যাপসা গরম পড়তে পারে। এছাড়া ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এর আগে চলতি মাস বৃষ্টি দিয়ে শুরু হয়ে গত দুই সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়। আর তাতে মে মাসের তীব্র গরম ততটা অনুভূত হয়নি; বরং দেশের দ্বিতীয় উষ্ণতম মাসেও রাতের বেলায় রাজধানীতেও গায়ে চাদর মুড়িয়ে ঘুমাতে হয়েছে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে শুক্রবার থেকে বৃষ্টি অনেকটাই কমে তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকলে তাকে মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি এবং তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪২-এর বেশি হলে তা অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলে গণ্য হয়।

অন্যদিকে সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি রেকর্ড হলে সেটিকে বলা হয়ে থাকে অতিভারি বৃষ্টিপাত।

প্রতি সেক্টরে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে সরকার: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

অবৈধ গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিকে কঠোর নজরদারির নির্দেশ

অপরাধীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিতে গুম প্রতিরোধ আইন প্রণীত হবে

কর্ণফুলী টানেলে চার রাত নিয়ন্ত্রিত হবে যান চলাচল

ছয় মাসের মধ্যেই রাজধানীর খাল ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটবে

জুলাইযোদ্ধা কারিনার মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

ঢাকা শহরকে ১৮ মাসে ১৮ বছর পিছিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার: আবদুস সালাম

রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উৎসাহ দিচ্ছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

তাপপ্রবাহ-বৃষ্টিপাত নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

শাহজালালে একসঙ্গে ৩৭ হাজার যাত্রী পাবেন উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা