আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত উদযাপন উপলক্ষ্যে সারাদেশে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে র্যাব সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের ঘোষণা দিয়েছে।
আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশব্যাপী পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে। রাজধানী ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ শহর ও ধর্মীয় স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে ইউনিফর্মধারী টহলের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। জনসমাগমপূর্ণ এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ মসজিদ ও মাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
সোমবার র্যাবের আইন ও গণমাধম শাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় র্যাবের স্ট্যাটিক ও মোবাইল টিম মাঠে থাকবে। একই সঙ্গে প্রস্তুত রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত স্ট্রাইকিং ও রিজার্ভ ফোর্স, যাতে প্রয়োজন হলে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা যায়। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও গতিবিধির ওপর কড়া পর্যবেক্ষণ রাখা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য কিংবা রাষ্ট্র ও ধর্মবিরোধী অপপ্রচার রোধে র্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম সক্রিয় রয়েছে। অনলাইনে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনষ্ট করার যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানিয়েছে, পবিত্র এই রাতে ধর্মীয় আবহ নষ্ট করতে কোনো ব্যক্তি বা স্বার্থান্বেষী মহল যেন সুযোগ নিতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাবের প্রতিটি ইউনিটকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা জরুরি পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত সহায়তা পেতে র্যাবের কন্ট্রোল রুমে (কন্ট্রোল রুমের নাম্বার ০১৭৭৭৭২০০২৯) যোগাযোগ করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।