সরকার টাকা ছাপাচ্ছে বলে যে প্রচার হচ্ছে তা গালগল্প, এর সাথে বাস্তবতার মিল নাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। বন্ধ কলকারখানা চালুর বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিগত পতিত সরকারের আমলে সবদিক থেকে আয়ের টান পড়েছিলো। সেই টান এতটাই ব্যাপক ছিলো যে নিম্ন মধ্যবিত্ত অনেকেই দারিদ্রসীমার নিচে চলে গিয়েছে, যা খুবই মমার্ন্তিক। এর ফলে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তসহ সমাজে ভাঙ্গন ধরেছে।
শনিবার এফডিসিতে আসন্ন বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রাক বাজেট ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, পতিত সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে বিপুল অর্থ ঋণ করে লুটপাট করেছে। অতীতে ধমকের মাধ্যমে তথ্য জালিয়াতি করে উন্নয়ন দেখানো হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার পরিসংখ্যান ব্যুরোর সকল তথ্য জনগণের জন্য উন্মুক্ত রাখবে।
তিনি বলেন, পতিত সরকারের আমলে ব্যবসায়িরা ব্যবসা করতে গিয়ে পুঁজি পায়নি। সরকার প্রতি মুহুর্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করতো। তখন বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতকে কয়েকটি কোম্পানির হাতে তুলে দেয়া হয়েছিলো।
বর্তমান সরকার এইরকম কোন সিন্ডিকেটের কাছে কোন খাতকেই ইজারা দিতে চায় না; বরং অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নের মাধ্যমে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চায়।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পথে হাঁটছে বর্তমান সরকার। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সঠিকভাবে সঠিক মানুষের কাছে পৌছানো গেলে এটি অবশ্যই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন করবে।
এদিকে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণই হবে এবারের বাজেটের প্রধান চ্যালেঞ্জ শীর্ষক প্রাক বাজেট ছায়া সংসদে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (নিটার) এর বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক তৌহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম ও সাংবাদিক গোলাম কাদির রবু।
এলআর