জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত অনুমোদন হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে। এর আগে তফসিল ঘোষণার সময়ই জানানো হয়েছিল, নির্বাচনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি থাকবে।
নির্বাচনের পরবর্তী দুই দিন (শুক্র-শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি। সেই হিসাবে সরকারি চাকরিজীবীরা ১১ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা চার দিনের ছুটি পাচ্ছেন। তবে সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এই লম্বা ছুটি ভোগ করতে পারছেন না। নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় অনেক কর্মকর্তাই এই ছুটি থেকে বঞ্চিত হবেন।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে, যা আগেই ঘোষণা করা হয়। আজকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ও ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রমিকরা তিন দিন ছুটি পাবেন।’ তবে শ্রমিকদের ছুটির বিষয়য়ে এখনো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কোনো তথ্য জানায়নি।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বেশ কিছু পর্যায়ে নির্বাচনি কর্মকর্তার নিয়োগ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি অর্গানোগ্রাম অনুসরণ করা হয়।
এতে সবার ওপরে থাকেন রিটার্নিং অফিসার। রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানেই সার্বিক ভোটপ্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। এর পরেই থাকেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার।
তিনি মূলত রিটার্নিং অফিসারের সহায়ক হিসেবে কাজ করেন।
অর্গানোগ্রামের তৃতীয় অবস্থানে থাকেন প্রিজাইডিং অফিসার। ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন তিনি। আর প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে থাকেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, যার অধীনে থাকেন দুজন করে পোলিং অফিসার।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রে থাকবে। এসব ভোটকেন্দ্র দায়িত্ব পালন করবেন সরকারি চাকরিজীবী ও শিক্ষকরা। তাই নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না তারা।
যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা
জরুরি পরিষেবা: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস এবং বন্দরগুলোর কার্যক্রম।
যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা: টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন।
চিকিৎসাসেবা: সকল হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন।
জরুরি অফিস: যেসব অফিসের কাজ সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত।