হোম > জাতীয়

এমটিএফই প্রতারণা: ৪৪ কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার

অনলাইনভিত্তিক পনজি স্কিম এমটিএফইর মাধ্যমে প্রতারণা করে বিদেশে পাচার করা বিপুল অঙ্কের অর্থের একটি বড় অংশ উদ্ধার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় ৩ দশমিক ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৪ কোটিরও বেশি টাকা, দেশে ফেরত আনা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে সাইবার প্রতারণা দমনে একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার সিআইডি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির ডিআইজি আবুল বাশার তালুকদার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ফরেক্স ট্রেডিংয়ে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত এমটিএফই প্ল্যাটফর্মটি মূলত একটি প্রতারণামূলক পনজি স্কিম, যার মাধ্যমে অসংখ্য বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

তদন্তে জানা যায়, ২০২২ সালের জুন থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এমটিএফই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউবে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ও ভিডিওর মাধ্যমে সহজে আয় করার প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করা হতো। ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল ট্রেডিং অ্যাকাউন্টে কৃত্রিমভাবে লাভ দেখিয়ে আস্থা তৈরি করা হলেও বাস্তবে এসব লেনদেন ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া।

প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু বিনিয়োগকারীকে অর্থ ফেরত দিয়ে বিশ্বাস অর্জনের পর ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ কার্যক্রম গুটিয়ে নেয় প্ল্যাটফর্মটি। ফলে হাজারো বিনিয়োগকারী তাদের অর্থ হারান। তদন্তে উঠে আসে, বিনিয়োগকারীদের অর্থ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেটের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি) ইউনিট ব্লকচেইন বিশ্লেষণ টুল ব্যবহার করে পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ আন্তর্জাতিক ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ শনাক্ত করে। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট এক্সচেঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগ ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অর্থ ফেরতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আদালতের নির্দেশনায় রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক পিএলসিতে ‘CID, Bangladesh Police’ নামে একটি সরকারি হিসাব খোলা হয়, যেখানে উদ্ধারকৃত অর্থ জমা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অ্যাসেট রিয়েলিটি লিমিটেডের সহায়তায় ক্রিপ্টোকারেন্সিকে বৈধ মুদ্রায় রূপান্তর করে দেশে আনা হয়।

সিআইডি জানায়, এ পর্যন্ত মোট ৩৬ লাখ ২২ হাজার ৯৯৮ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ৪৪ কোটি ১৪ লাখ টাকার বেশি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর পাশাপাশি কূটনৈতিক সহায়তাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বর্তমানে মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের মধ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি এমটিএফই চক্রের মাধ্যমে পাচার হওয়া বাকি অর্থ শনাক্ত ও উদ্ধারের কাজও চলমান রয়েছে।

সংসদে পানির সংকট চরমে: চিফ হুইপ

সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি সামিট-মেটাকোর-সিডিনেটের বৈধতা তদন্তের নির্দেশ

বিশেষ ব্যবস্থায় ছয় মাসের শিশুকে হামের টিকা দেবে সরকার

অবৈধ জ্বালানি মজুতের তথ্য দিলে ১ লাখ টাকা পুরস্কার

ইভ্যালির মালিক দম্পতির বিরুদ্ধে ৩১০ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলা

আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

সার বিক্রিসহ সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের হুঁশিয়ারি

খেলোয়াড়দের রাজনৈতিক দলের সদস্য না হবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৫, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে হামের টিকা পাওয়া যাবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী