হোম > জাতীয়

আর কোনো মা তার সন্তানদের দেশের জন্য জীবন দিতে দেবে না: শহীদ আহনাফের মা

আমার দেশ অনলাইন

‘এই বেঈমান দেশে আর কোনো মা তার সন্তানদের দেশের জন্য জীবন দিতে দেবে না।’ তীব্র শোক ও ক্ষোভিত এই বাক্যটি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ শাফিক উদ্দিন আহমেদ আহনাফের মা সাফাত সিদ্দিকীর। ছেলে হারা এই দুঃখিনী মায়ের ছোট এই বাক্যে আবেগাপ্লুত হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

রোববার বিকেলে তিনি ফেসবুক আইডিতে শহীদ আহনাফের মায়ের বাক্যটি শেয়ার করে লেখেন, শহীদ আহনাফের মায়ের এই মেসেজটা আমি যতবার পড়ি, আমার চোখ ভিজে যায়। একবার কথাগুলোর ওজন ভাবেন। সন্তান হারানোর শোক তবু কোনোভাবে বয়ে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু যে কারণে তার সন্তানের মতো হাজারো সন্তানকে এক জুলাইতেই খুন করেছে খুনি ফ্যাসিস্ট, সেই জুলাই নিয়ে যখন তামাশা করা হয় তখন এই মায়েদের কলিজা ছিঁড়ে যায়। ফলে যারা জুলাই এবং শহীদদের নিয়ে টিভি টকশো এবং অনলাইন আলোচনায় ফ্যাসিস্টদের ফাতরামি করার সুযোগ করে দিচ্ছেন, প্লিজ স্টপ ইট। কবরের মাটি এখনও তাজা, হাজার হাজার ভিডিও ফুটেজ দলিল হিসাবে সাক্ষ্য দিচ্ছে, এর মাঝে যখন ফ‍্যাসিস্ট-এনাবলাররা যখন সংশয় প্রকাশ করে, তখন ঐ মায়েদের বুকে ছুরির মতো বিঁধে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা লেখেন, ইউরোপের বহু দেশে হলোকস্ট ডিনায়াল শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর কারণ আছে। নাহলে সমাজের ক্ষত সারে না। আমাদের দেশে এরকম আইন আছে কিনা জানিনা, না থাকলে বানান। সামাজিক বিশৃঙ্খলা এড়ানোর এটাই একমাত্র উপায়। সেই আইনে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা অস্বীকার করার বিরুদ্ধেও বিধান রাখেন।

তিনি বলেন, এরকম গভীর ক্ষত নিয়ে তামাশা বন্ধ করেন। রাজনৈতিক হিসাব নিকাশের খেলা খেলতে গিয়ে ফ্যাসিস্টদের নরমালাইজ যেন না করি আমরা। নাহলে একদিন এরা বলবে জুলাই বলে কিছু ঘটেই নাই। মনে রাখবেন জুলাই নাই মানে কেউই নাই, বাংলাদেশ নেই। জাস্ট ইমাজিন, মুক্তিযুদ্ধের দুই বছরের মাথায় স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী কেউ টিভিতে এসে বলছে, একাত্তরে কেউ মরে নাই!!! কেমন লাগবে শহীদ পরিবারদের? বাংলাদেশের মানুষের?

ফারুকী আরও বলেন, আমরা জানি বাংলাদেশ বেঈমান না। বাংলাদেশ তার সব শহীদকেই বুকে ধারণ করে। কিন্তু তাদের নিয়ে কেউ যখন তামাশা করে তখন তাদের বুকে আঘাতটা এত তীব্র হয় যে তার প্রতিক্রিয়ায় মায়ের বুক ফেটে এরকম মেসেজ বের হয়ে আসে। লেটস টেক ইট সিরিয়াসলি।

এএস

নগর জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্পে ‘বিশেষজ্ঞ’ সাবেক আমলারা

কলড্রপে নাকাল মোবাইল গ্রাহক, পাঁচ বছরে ৬৬ হাজারের বেশি অভিযোগ

সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে মানের নিশ্চয়তা জরুরি

ডাউন সিন্ড্রোম ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির আহ্বান বিশিষ্টজনদের

বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের সময়সীমা বৃদ্ধি

যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় সরকারের নিন্দা

বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিনের ইন্তেকালে জামায়াত এমপির শোক

মানুষ গত দুই দশক ধরে কী নিদারুণ কষ্ট করেছে, জুলাই জাদুঘর ঘুরলে বোঝা যায়

প্রশিক্ষণ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেবে ইতালি

আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ গেছে সাড়ে ৪ লাখ রেমিট্যান্স যোদ্ধা, আয় ২৬ বিলিয়ন ডলার