হোম > জাতীয়

আজ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি শুরু

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

ফাইল ছবি

শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে মার্চ ফর ইনসাফ কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) থেকে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। এই সময়ে হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিতে সহযোগিতা চাইতে সরকার, রাজনৈতিক দল ও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানুষের কাছে যাবেন সংগঠনটির সদস্যরা।

একই সঙ্গে আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদির খুনি ও খুনের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে অভিযোগপত্র দাখিল করার দাবিও জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। তা না হলে ৭ জানুয়ারির পর থেকে চূড়ান্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি। ২২ কর্মদিবসের মধ্যে বিচার না করলে সরকারপতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন সংগঠনটির নেতারা।

এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকেই এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা হাদিকে গুলিবর্ষণকারী হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে শনাক্ত করেন। ওই আসামি ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে আলোচনা রয়েছে।

ঢাকা-৮ আসনে সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ওসমান হাদি। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের উদ্যোগে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

এসআই

অর্থ নয়ছয়ের সুযোগ কম আগ্রহ নেই কর্মকর্তাদের

বিকল্প জ্বালানিতেই মুক্তি দেখছে সরকার ও বেসরকারি খাত

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে আবারো হাসিনা প্রসঙ্গ

আগামীর রাজনীতিতে জ্ঞানের বিকাশ জরুরি: আইনমন্ত্রী

‘শুধু মাধবীর জন্য’ গ্রন্থে বাংলাদেশ ও গণতন্ত্র রক্ষার আকুতি: চিফ হুইপ

শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ইবাদতের মন্ত্রণালয় মনে করি: শিক্ষামন্ত্রী

১৯৭৭ সালের জে-৬ থেকে মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান জে-১০সিই, সুবিধা-অসুবিধা কী?

বিএনপির ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস প্রায় অভিন্ন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

মরার পরে যে লোক বেশি জ্বালিয়েছেন তার নাম শেখ মুজিব: শাহরিয়ার কবির

সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী