হোম > জাতীয়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই: টিআইবি

স্টাফ রিপোর্টার

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) প্রকাশিত “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকারের ১০০ দিন: সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ” শীর্ষক প্রতিবেদনের কোনো কোনো বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রদত্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য, জাতীয় সংসদে আলোচনা ও পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ার সংবাদে সংস্থাটি অনুপ্রাণিত বোধ করছে।

এরূপ প্রতিক্রিয়া টিআইবির প্রয়াসকে বিভিন্নভাবে ফলপ্রসূ করতে সহায়ক বলে মনে করে সংস্থাটি। মন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে, টিআইবি তদন্ত করে না। টিআইবি কোনো তদন্ত সংস্থা নয়, মূলত গবেষণা-নির্ভর দুর্নীতিবিরোধী ও সুশাসনবিষয়ক অধিপরামর্শ ও জনসচেতনতা এবং জনসম্পৃক্ততা-ভিত্তিক পরিবর্তন প্রত্যাশী একটি সংগঠন।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো টিআইবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টিআইবি বলছে, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিতে এবং স্বীকৃত গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য সংগ্রহের পরিসংখ্যান বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ করে টিআইবি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সংগৃহীত তথ্যের যথার্থতা বহুমাত্রিক প্রক্রিয়ায় যাচাই সাপেক্ষে, বিশ্লেষণ ও প্রতিবেদন প্রণয়ন করে।

এক্ষেত্রে মূলত যে বিষয়গুলো মাননীয় মন্ত্রী, জাতীয় সংসদ ও পুলিশ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আলোচিত হয়েছে, অর্থাৎ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে টিআইবির তথ্যসূত্র বাংলাদেশ পুলিশ ও তিনটি সুপরিচিত মানবাধিকার সংগঠন। যা প্রতিবেদনে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অতএব, টিআইবির প্রতিবেদন শুধু পত্রিকার কাটিং-এর ওপর নির্ভর করে প্রণীত হয়, মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই।

টিআইবি আরও বলছে, সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে স্বীকৃত অন্য যে কোনো চর্চার মতো টিআইবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অবশ্যই সংগ্রহ করে থাকে, তবে তা বিবেচনায় নেওয়ার আগে, একদিকে যেমন যথাযথ প্রক্রিয়ায় গুণগত মান যাচাই নিশ্চিত করা হয়, অন্যদিকে তেমনি একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি, বেসরকারি এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সকল সূত্রে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের আলোকেই বিশ্লেষণ করা হয়।

সুতরাং টিআইবির প্রতিবেদনকে ঢালাওভাবে পত্রিকার কাটিং-নির্ভর এমন অবস্থান শুধু অযৌক্তিক নয়, বরং মূল বিষয়কে পাশ কাটানোর ব্যর্থ প্রয়াস ছাড়া কিছুই নয়।

টিআইবি আরও বলছে, তা ছাড়া, শত প্রতিকূলতা ও বিতর্ক স্বত্বেও অন্য যে কোনো দেশের মতোই আমাদের জনপ্রতিনিধি, সরকার ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ কী গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে স্ব স্ব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন না? তারা নিজেদের অবস্থান, মতামত বা সার্বিক কার্যক্রমের প্রচার ও প্রসারে গণমাধ্যমের ওপর কী নির্ভর করেন না? অতএব টিআইবির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান বা এর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে এমন ঢালাওভাবে অবমূল্যায়ন করার যুক্তি নাই।

ইসলামী ব্যাংকের আরডিএস প্রকল্পের ঋণ নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভুল তথ্য

আলোচনা সভায় বক্তারা

চীন-দক্ষিণ এশিয়া এক্সপোতে থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করবে বাংলাদেশ

নিজ দায়িত্ব ফেলে ইসলামী ব্যাংক ব্যবস্থার উপরই কেন এই হস্তক্ষেপ

ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বিএনপির হাতে শতভাগ নিরাপদ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

লাল টেলিফোনের তার চুরির পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ল্যাপটপ চুরি

পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে: অর্থমন্ত্রী

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয়

ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত সবাইকে চাকরি ফেরত দিতে তদন্তের দাবি সালাহউদ্দিনের