হোম > জাতীয়

১৬ বছর পর বিডিআর সদস্যদের মুক্তি

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর

বিস্ফোরক মামলার জামিন পাওয়া বিডিআর আসামিরা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন। দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছর ধরে তারা কারাগারে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারগারের বিভিন্ন ইউনিটে থাকা ১২৬ জন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু হয়। ইতোমধ্যে ২০ জন কারাবন্দি জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। বন্দীদের মুক্তির খবরে কারাফটকে ভিড় করেছেন স্বজনরা।

কেরাণীগঞ্জ ও কাশিমপুর কারাগারে ২২ জানুয়ারি বিডিআর বিস্ফোরক মামলার ১৭৮ আসামির জামিননামা পাঠানো হয়। সেসব জামিননামা যাচাই-বাছাই শেষে অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকাথ শর্তে বন্দিদেরকে জামিনে মুক্তি দেয়া হচ্ছে।

গত ২০ জানুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় করা বিস্ফোরক মামলায় জামিন পেয়েছেন হত্যা মামলায় খালাসপ্রাপ্ত ও যাদের বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়নি এমন দুই শতাধিক আসামি। কেরাণীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. ইব্রাহিম মিয়ার অস্থায়ী আদালত তাদের এই জামিন দেন।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়। হত্যা মামলায় খালাস বা সাজাভোগ শেষে বিস্ফোরক মামলার কারণে ৪৬৮ জনের মুক্তি আটকে আছে।

হত্যা মামলায় ৮৫০ জনের বিচার শেষ হয় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর। যেখানে ১৫২ জনের ফাঁসি ছাড়াও ১৬০ জনের যাবজ্জীবন ও ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া খালাস পান ২৭৮ জন।

মুসলিম বাড়িতে আগুনের ভিডিওকে হিন্দুদের ঘরবাড়িতে আগুন দেওয়ার দৃশ্য বলে প্রচার

সারের দাবিতে বিক্ষোভ: মামলা-গ্রেপ্তারে উদ্বিগ্ন জাতীয় কৃষক শক্তি

পরিবহন খাত এখনো ‘মাফিয়াদের’ নিয়ন্ত্রণে: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বাতিলের দাবি শীর্ষ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের

পুলিশের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবসে উত্তর সিটির স্টল পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু

‘বিদ্যুৎ নিয়ে বারবার কারিগরি ত্রুটি নাশকতা নাকি ষড়যন্ত্র—ভাবতে হবে’

‘পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট না হলেও বেতন দ্বিগুণের খবরে বেড়েছে দ্রব্যমূল’

বিএনপি সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন