হোম > জাতীয়

এলডিসি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখনই প্রস্তুতির তাগিদ তথ্যমন্ত্রীর

স্টাফ রিপোর্টার

রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট আয়োজিত কর্মশালায় বক্তব্যকালে তথ্যমন্ত্রী। ছবি: আমার দেশ

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জাহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) উত্তরণের চ্যালেঞ্জ এখনই না এলেও বাংলাদেশের সামনে রপ্তানি খাতের যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেগুলো মোকাবিলার বিকল্প ছিল না। এজন্য অর্থনীতিকে রপ্তানিমুখী করেই এগোতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এসব চ্যালেঞ্জ আরও বাড়বে।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে র‍্যাপিড (রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট) আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সম্ভাব্য তিন বছরের বর্ধিত সময়কে দেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ানো ও প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কারে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, রাজনীতি যদি অর্থনীতিবান্ধব না হয়, তাহলে এ ধরনের আলোচনা কেবল তাত্ত্বিক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে অর্থনীতিবান্ধব রাজনীতি গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সরকার এর মধ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এর ফলে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই অতিরিক্ত সময় শুধু সমস্যা পেছানোর জন্য নয়, বরং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারের নীতিনির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে মনোযোগী রয়েছেন। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার, রপ্তানি বৃদ্ধি, প্রশাসনিক জটিলতা দূরীকরণ এবং এলডিসি-পরবর্তী নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে। আলোচনায় অর্থনীতিবিদেরা যেসব বিষয় তুলে ধরেছেন, তা বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্ব বাণিজ্যের কাঠামো ও আন্তর্জাতিক শর্তের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে এগোতে হবে। এলডিসি উত্তরণের পর যেসব নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সেগুলো মোকাবিলায় এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণ জরুরি। জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদনের পর বিষয়টি সাধারণ পরিষদেও অনুমোদন পেতে হবে। বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি বাংলাদেশ হওয়ায় এ ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা সৃষ্টি হবে না এবং বাংলাদেশ তিন বছরের বর্ধিত সময় পাবে।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি খাতের সব ধরনের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। অর্থনীতিবিদদের সুপারিশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। জাতিসংঘের ‘স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি’তে প্রায় ১৫৭টি পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। দেশীয় বাস্তবতায় সেগুলো মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য বা অস্ট্রেলিয়ার মতো কয়েকটি বাজারে চাপ তুলনামূলক কম থাকলেও অন্যান্য রপ্তানি গন্তব্যে বাংলাদেশকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। তাই সময় বৃদ্ধি নিশ্চিত করাই শেষ লক্ষ্য নয়, বরং সেই সময়কে সর্বোচ্চ কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি দৌলত আক্তার মালা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ও র‍্যাপিডের নির্বাহী পরিচালক ড. এম আবু ইউসুফ, র‍্যাপিডের চেয়ারম্যান ড. এম এ রাজ্জাক।

এএস

শিক্ষাবিদ মাহমুদা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

১৯ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার: বিমানের পাইলট-ক্রুসহ সবার তালিকা চাইল পুলিশ

দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে আজকের শিশুরা: জুবাইদা রহমান

দেশের সব মাদরাসার জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশনা

প্রাণী চিকিৎসায় মানসম্মত ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

‘ট্রাম্পের পা ধরেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী’

এইচএসসি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে অনুপস্থিত ৩৩ হাজার পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার ৪৮

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার দুর্নীতি: রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকদের সম্পদ খতিয়ে দেখছে দুদক

হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৭৪১

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি, প্রথম ধাপে ইউপি ও পৌরসভা