গত এক বছর মিয়ানমার থেকে কক্সবাজারে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪। অর্থাৎ, এক বছরে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৭৫৭ জন বেড়েছে। ২০২৫ সালের এই সময়ে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ছিল ১০ লাখ ৬ হাজার ১০৭ জন।
গতকাল সোমবার জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা—ইউএনএইচসিআরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেদনে নবাগত দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জনকে। সে হিসাবে নতুন জন্মগ্রহণ করা শিশুর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৩০১ জন হতে পারে। নবাগতদের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে সাধারণ সংঘাতের পাশাপাশি ‘টার্গেটেড’ সংঘাতের কারণে নতুন মাত্রায় রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুতি ঘটে। নবাগত রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চিহ্নিত করা হলেও সম্পূর্ণরূপে নিবন্ধিত হিসাবে বিবেচনা করা হয় না। জীবন রক্ষাকারী সহায়তা বিতরণে কেবল ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয় তাদের।
ইউএনএইচসিআরের হিসাবে, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪১৫। গত বছর ওই সময় পর্যন্ত ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩০৩টি। অর্থাৎ, এক বছরে রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিবারের সংখ্যা ৪১ হাজার ৯১২টি বেড়েছে। অবশ্য, ইউএনএইচসিআরের প্রতিবেদনে নবাগত পরিবার হিসেবে দেখানো হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৫৫টি।
১৯৯০ সাল থেকে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার ৫০২। আর ২০১৭ সালের অগাস্টের পর এসেছে ১০ লাখের বেশি।