হোম > জাতীয়

হাসিনার ৩ রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরলেন আসিফ নজরুল

আমার দেশ অনলাইন

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তিন রাজনৈতিক অবস্থা তুলে ধরে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। রোববার দুপুরে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেছেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে নেই বহুদিন। কিন্তু সত্যিই কি নেই? আমার মনে হয় তিনি আছেন। শারীরিকভাবে নেই, কিন্তু তার রাজনীতিটা রয়ে গেছে বাংলাদেশে। তার রাজনীতির কিছু মূলমন্ত্র ধারণ করে আছে তার পতনের আন্দোলনের মানুষদেরও কেউ কেউ।’

কী ছিল তার রাজনীতি?

এক: মালিকানার রাজনীতি। তিনি মুক্তিযুদ্ধের মালিকানার রাজনীতি করতেন।

তিনি আর তার অনুগতরাই কেবল যুদ্ধটা করেছেন, বাকি কেউ না। তাই তার পক্ষে থাকা মানে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা, তার বিরোধিতা মানে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করা। যে কাজ পক্ষের মানুষের জন্য জায়েজ, তা অন্যর জন্য শাস্তিযোগ্য। জুলাইকে কেন্দ্র করে আছে এই রাজনীতি আছে কিছু মানুষের মধ্যে।

দুই: ট্যাগ দেওয়ার রাজনীতি। কথায় কথায় রাজাকার, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, পাকিস্তানপন্থী ছিল তার রাজনীতির অন্যতম হলমার্ক। এসব ট্যাগ বদলিয়েছে, কিন্তু এর রাজনীতিটা রয়ে গেছে। এখন চলছে যত্রতত্র ফ্যাসিস্টের দোসর, ভারতের দালাল, জুলাই গাদ্দার এসব ট্যাগ দেওয়ার রাজনীতি। বছরের পর বছর আওয়ামী লীগের হাতে নির্যাতিত কেউ এই ট্যাগ পাচ্ছেন ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মীর কাছে।

তিন: ভিকটিমহুডের রাজনীতি। ভিকটিম ছিলাম বলে শিকারি হয়ে যাওয়ার অধিকারবোধ ছিল শেখ হাসিনার আরেক রাজনীতি। এই রাজনীতিও টিকে আছে বহাল তবিয়তে। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, আমরা শুধু শেখ হাসিনার শাসন অবসানের আন্দোলন করেছি। কিন্তু তার রাজনীতির অনেকটা নিজের ভেতর রেখে দিয়েছি।

অনেক তরুণ আইসিটিতে কাজ করতে পরিকল্পনা নিয়ে আসছেন

বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখতে সরকারের সহযোগিতা চান মালিকরা

নেপালে সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

উপবৃত্তির টাকা বিতরণে সরকারের যে পদক্ষেপ

ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাকটিভ করার কারণ জানালেন জুমা

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতার পরিমাণ বাড়তে পারে

ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে: জাবের

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১ দিনের ‘মেডিটেশন’ সহ ১০ নির্দেশনা

দুদকের মহাপরিচালক হলেন আলী হোসাইন

১৫ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন ডিসি কোহিনূর