বগুড়ার সান্তাহারে নয়টি বগি লাইনচ্যুত হওয়া নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি উদ্ধারে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। এই সময়ে ওই রুটের পাঁচ জেলার যাত্রীদের জন্য বিকল্প হিসেবে ‘ট্রান্সশিপমেন্ট পরিকল্পনা’ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম।
নাজমুল ইসলাম জানান, রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা থেকে উত্তরের জেলা নীলফামারি, ঠাঁকুরগাও, দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের যাত্রীরা ট্রেন পরিবর্তন করে গন্তব্যে পৌঁছাবেন।
“নয়টা কোচ রেসকিউ করতে ১২ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে। আপাতত ট্রান্সশিপমেন্ট হবে, অর্থাৎ পঞ্চগড় থেকে যে ট্রেন আসতেছে এবং ঢাকা থেকে যে ট্রেনটি যাচ্ছে দুর্ঘটনার স্পট থেকে যাত্রীরা ট্রেন পরিবর্তন করবেন,” বলেন তিনি।
এর ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি হবে উল্লেখ করে নাজমুল ইসলাম বলছেন, “আপাতত এই পরিকল্পনাই রয়েছে আমাদের।” দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বুধবার দুপুর দুইটার দিকে বগুড়ার সান্তাহারে ঢাকা থেকে নীলফামারী জেলার চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের নয়টি বগি লাইনচ্যুত হয়।
দুর্ঘটনাস্থল থেকে ৪৭ জনকে উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানোর তথ্য জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।