হোম > জাতীয়

কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি ভূমি মন্ত্রণালয়

গাজী শাহনেওয়াজ

ভূমি উন্নয়ন কর দিতে সাধারণ নাগরিক বা বেসরকারি খাতের তুলনায় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনীহা বেশি। সরকারি সংস্থাগুলো থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৯ শতাংশ কর আদায় সম্ভব হয়েছে। ওই একই সময়ে সাধারণ সেবা খাত থেকে কর আদায় হয়েছে ৩২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে দুটি খাত থেকে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হয়েছে ৪১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আগামী তিন মাসের মধ্যে এ বিশাল অঙ্কের রাজস্ব আদায় করা ভূমি মন্ত্রণালয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতের সমন্বিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে মন্ত্রণালয় এখনো ৫৮ শতাংশ পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও নৌপরিবহনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কাছে পাওনা ৬৫৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার মধ্যে আদায় হয়েছে মাত্র ৯ শতাংশ।

অনুরুপভাবে সাধারণ সেবা খাতের মধ্যে আবাসিক ভবন, ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্যমাত্রা ৮৬৬ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এখান থেকে আদায় হয়েছে ৩২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। সব মিলিয়ে আগামী ২৯ জুনের মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বকেয়া আদায়ে বড় ভরসা এখন ‘ভূমি উন্নয়ন করমেলা’। গত বছর তিনদিনের মেলায় কর আদায়ে মানুষের উৎসাহে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গিয়েছিল। তাই এবার মেলার সময় দুদিন বাড়িয়ে পাঁচদিন করা হয়েছে। আগামী ১০-১৪ মে পর্যন্ত সারা দেশে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। মেলা সফল করতে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবদের নেতৃত্বে একাধিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসরিন জাহান আমার দেশকে বলেন, এটি কেবল কর আদায়ের মেলা নয়, বরং মানুষকে ডিজিটাল ভূমি সেবা, খতিয়ান ও নামজারি সম্পর্কে সচেতন করার একটি প্ল্যাটফর্ম। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেই এবার সময় বাড়ানো হয়েছে।

সারা দেশে ৫১৬টি এসি ল্যান্ড অফিসের আয়োজনে এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি উপজেলা ভূমি অফিস চত্বরে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নগুলোর জন্য পৃথক বুথ থাকবে। সেবাপ্রার্থীরা সেখানে সরাসরি উপস্থিত হয়ে হোল্ডিং ট্যাক্স, অনলাইন খতিয়ান এবং নামজারি-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান ও পরামর্শ নিতে পারবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব আমার দেশকে বলেন, গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কর আদায়ের হার লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। জুনের মধ্যে বাকি ৫৮ শতাংশ বা প্রায় এক হাজার কোটি টাকা আদায় করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। তবে মেলার মাধ্যমে একটি বড় অংশ আদায় হয়ে থাকে।

তিনি আরো বলেন, সাধারণ গ্রাহকরা কর দিতে উৎসাহিত হলেও সরকারি সংস্থাগুলোর গড়িমসিই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছর তিনদিনে ভূমিমেলা থেকে তিন কোটি ২৫ লাখ টাকা সংগৃহীত হয়েছিল। এবার সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বড় অঙ্কের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

এমবি

সেনাবাহিনীর এয়ার ডিফেন্স ফায়ারিং পরিদর্শন করলেন সেনাপ্রধান

তারা একাত্তরে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে, এখন ২৪ নিয়ে ধোঁকা দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

একদল সীমান্তের ওপার থেকে পয়সা দিচ্ছে, আরেক দল দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে

রাজশাহীবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে মিনুর ছয় দফা

সরকারি দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন স্পিকার

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হতে পারে

ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন বিরোধীদলীয় নেতা

ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন মাহদী আমিন

ইশরাকের পদত্যাগ নিয়ে যা বললেন শফিকুল আলম

সরকার ঐক্যের ভিত্তিতে চলতে চায়, কিন্তু বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে একটি দল