হোম > জাতীয়

বিজয়ীদের কাছে দ্রুতই ক্ষমতা হস্তান্তর করবে সরকার

জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা

আমার দেশ অনলাইন

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট বিষয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি ভাষণ দেন। ভাষণটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

ভাষণে জনগণকে স্বাধীন চিত্তে ভোট ও গণভোট দিতে আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস। পাশপাশি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব সমাপ্ত করবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলতে চাই—আপনারা দলের কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের দ্ব্যর্থহীনভাবে নির্দেশ দিন, যেন কেউ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কেন্দ্র দখল, ভোটে প্রভাব বিস্তার করা কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত না হয়। কেউ যেন সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য কোনভাবে গুজব না-ছড়ায়। রাষ্ট্র কোনোভাবেই এ ধরনের আচরণ সহ্য করবে না। ইতিহাস আমাদের শিক্ষা দেয়—একটি ত্রুটিপূর্ণ, প্রশ্নবিদ্ধ বা সহিংসতাপূর্ণ নির্বাচন শেষ পর্যন্ত কারও জন্যই মঙ্গল বয়ে আনে না। বরং দেশের সর্বনাশ ডেকে আনে। যারা জনগণের মতামত উপেক্ষা করে শক্তি ও অনিয়মের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছে, তারা সবাই শেষ পর্যন্ত জনগণের আদালতে কঠিন জবাবদিহিতার মুখোমুখি হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, প্রথমেই গভীর সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করতে চাই, এবারের নির্বাচনকে ঘিরে সার্বিক প্রচার-প্রচারণা পূর্ববর্তী যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শান্তিপূর্ণ হয়েছে। মত ও আদর্শের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও রাজনৈতিক দলগুলো সংযম দেখিয়েছে, প্রার্থীরা দায়িত্বশীল আচরণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষ সচেতন থেকেছেন। এই পরিবেশ হঠাৎ করে তৈরি হয়নি—এটি সম্মিলিত দায়িত্ববোধের ফল।

তিনি আরো বলেন, আজ আমি বিশেষভাবে কথা বলতে চাই আমাদের তরুণ ভোটার ও নারী ভোটারদের সঙ্গে। আপনারাই সেই প্রজন্ম, যারা গত ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও ভোট দিতে পারেননি। আপনারা বড় হয়েছেন এমন এক বাস্তবতায়, যেখানে ভোটের মুখোশ ছিল—কিন্তু ভোট ছিল না; ব্যালট ছিল—কিন্তু ভোটার ছিল না। এই দীর্ঘ সময়ের বঞ্চনা ও অবদমনের সবচেয়ে বড় মূল্য জাতিকে প্রতিদিন দিতে হয়েছে। তবু আপনারা আশা ছাড়েননি। অন্যায়ের সামনে মাথা নত করেননি। আন্দোলনে, প্রতিবাদে, চিন্তায় ও স্বপ্নে আপনারা একটি নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা লালন করেছেন। আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ইতিহাসের গতিপথ বদলানোর সেই দিনটি এসেছে।

ড. ইউনূস বলেন, বিশেষ করে আমাদের নারীরা—মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সবকটি গণআন্দোলন, পরিবার থেকে রাষ্ট্র—সবখানেই শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। নারীরাই ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা। নারীরাই এদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের শক্ত ভিত। ক্ষুদ্র ঋণ, কুটির শিল্প, নারী উদ্যোক্তা এই শব্দগুলোর পেছনে আছে পরিবর্তনের গল্প, পরিবার ও সমাজে সাবলম্বী হবার গল্প।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কমিশনিং লাইসেন্স পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎকেন্দ্র

সৌরবিদ্যুৎ খাতে ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ সরকারের

রাষ্ট্রের ক্ষতি করার অভিযোগে অফিস সহায়ককে পুলিশে দিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল

দুই দপ্তরের সচিব রদবদল

শুক্রবার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ইসিতে অষ্টম দিনে জাবি সিনেট সদস্যসহ বিএনপির ৫৪ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

প্রান্তিক মানুষ চায় গণমাধ্যমে তাদের অধিকারের বিষয় উঠে আসুক

বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের সিদ্ধান্ত