সাংবাদিকদের স্বাস্থ্যমন্ত্রী
হাম রোগীদের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে, স্বল্প সময়ে নানামুখী প্রতিকূলতায় পেরে ওঠা যাচ্ছে না। সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে হামের টিকার ব্যবস্থা করতে পেরেছে। এরই মধ্যে ৯৮ শতাংশ টিকা কাভারেজ করেছি। তবে টিকার সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে হাসপাতালে সক্ষমতা বাড়ানো হবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গ্যাভি, ইউনিসেফ এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন নিজেরাই বলেছে, ইতিহাসে এত স্বল্প সময়ে এত বিশাল একটা জনসংখ্যার জন্য এত ত্বরিতগতিতে এত প্রচুর ভ্যাকসিন আর কোনো দেশ জোগাড় করতে পারেনি, যেটা আমরা করেছি। আমাদের ডাক্তাররা অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বিগত সরকার একটা ভেন্টিলেটরও রেখে যায়নি। আমাদের হাতে একটা হামের ভ্যাকসিন রেখে যায়নি। শূন্য হাতে যাত্রা করেছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমতো প্রত্যেকটা জায়গায় ভেন্টিলেটর দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামী মঙ্গলবার আরো ১০ জেলায় ১০টি আইসিইউ ইউনিট খোলা হচ্ছে। প্রত্যেকটা জায়গায় ১২টি ভেন্টিলেটর এবং প্রত্যেক জায়গায় একটি করে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর দিচ্ছি। যাতে আরো বেশি সেবা দেওয়া যায়।
তিনি বলেন, বাচ্চাদের আমাদের দেশে বা আন্তর্জাতিকভাবে অ্যাভেইলেবল এমন কোনো ট্রিটমেন্ট নেই, যেটা আমরা করছি না। কিন্তু পুষ্টির অভাব একটা বিরাট কারণ। বাচ্চাদের প্রত্যেক বছর দুবার করে ভিটামিন এ দেওয়ার কথা। ২০২৪ সালে দেওয়া হয়েছে একবার। ২০২৫ সালে কোনো ভিটামিন এ ক্যাম্পেইন হয়নি, আমরা এখন শুরু করেছি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জুনের ১০ তারিখের মধ্যে আমরা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ইউনিসেফের কাছ থেকে পাচ্ছি এবং দেশব্যাপী আমরা এটা করে যাব। মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব, বাচ্চারা পুষ্টি পাচ্ছে না, ব্রেস্টফিডিং কম হচ্ছে। সিজারিয়ান বাচ্চাদের মায়ের শাল দুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। বিভিন্ন কারণে বাচ্চারা পুষ্টি নিয়ে গ্রোথ করতে পারছে না। যেটার জন্য হাম বেশি আক্রমণ করছে।
এমই