হোম > জাতীয়

মিরপুরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪ মামলা, গ্রেপ্তার ২৬

আমার দেশ অনলাইন

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে মিরপুর মডেল থানায় ৩টি ও কাফরুল থানায় পৃথক ১টি মামলা রুজু হয়েছে। মামলায় মোট ১০০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার মিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, মিরপুর থানায় সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে গাড়ি পোড়ানোর মামলা, পুলিশ বাদী হয়ে পুলিশের ওপর হামলার মামলা এবং ট্রাফিক পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা দায়ের করা করেছে। তিন মামলায় আসামির সংখ্যা ৪০০ থেকে ৫০০ জন।

এ দিকে এ বিষয়ে কাফরুল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সিটি করপোরেশন গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে সিটি করপোরেশন বাদী হয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। সেখানে ৪০০-৫০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান শুরু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলীর নেতৃত্বে এ অভিযান চলছিল। অভিযানের এক পর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচে থাকা ভাসমান দোকান সরাতে গিয়ে ভেকুর আঘাতে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন ধরে যায় বলে স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। আগুনে মার্কেটের ৫টি দোকান পুড়ে যায়। ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ১৫ থেকে ২০ মিনিট চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার পর ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও হকারদের সংঘর্ষ বাধে। হকাররা ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এ সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হন।

সংঘর্ষের সময় সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষের কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ নম্বরের সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরাও বাধার মুখে পড়েন।

এরপর দুপুরের দিকে আবার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএনসিসি। মিরপুর-১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে থাকা ভাসমান দোকানগুলো উচ্ছেদ করা হয়।

দুপুরের দিকে ঘটনাস্থলে আসেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও সিটি করপোরেশনের গাড়িগুলো পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বলেন, হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা পরিকল্পিত। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং তদন্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

সংসদ সদস্য ফেরদৌসীকে পদত‍্যাগের নির্দেশ

ঢামেক হাসপাতালে কারাবন্দির মৃত্যু

সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বিধিনিষেধে যেসব পরিবর্তন আসছে

অপরাধ দমনে বিভিন্ন বাহিনীর সমন্বয়ে অভিযান চালানো হবে

বাংলা কিউআরে লেনদেনে কোনো চার্জ লাগবে না: অর্থমন্ত্রী

ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৫ লাখ কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে সজ্জিত করার সুপারিশ

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণে প্রযুক্তিগত সহায়তায় এআই অ্যাপ ‘মাইট্রি’