হোম > জাতীয়

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব

পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

স্টাফ রিপোর্টার

বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই মি. ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও নেপাল জলবায়ু পরিবর্তনের ভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হলেও দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশব্যবস্থা পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। হিমালয় অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহের পরিবর্তন, নদী অববাহিকার পরিবেশগত ভারসাম্য, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও অন্যান্য জলবায়ুজনিত দুর্যোগ দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক পরিবেশ এবং মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর প্রভাব ফেলে। আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনকে সামনে রেখে এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

রোববার সচিবালয়ে তার অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও সুদীর্ঘ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বন ও প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

পরিবেশ মন্ত্রী নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বলেন, এ শোকাবহ সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ নেপালের সরকার ও জনগণের পাশে রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী মানবিক সহায়তা ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ প্রস্তুত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত এইচ.ই মি. ঘনশ্যাম ভাণ্ডারী বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন উদ্যোগে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রদূত নেপালের দুর্ঘটনার পর দেশটির জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, সংকটের সময়ে বাংলাদেশের এই সহমর্মিতা দুই দেশের জনগণের গভীর বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন; নেপালের সরকার ও জনগণ এ সহযোগিতা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে।

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতার পাশাপাশি বাণিজ্য, যোগাযোগ, পর্যটন, শিক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাংলাদেশ ও নেপালের ক্রমবর্ধমান সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়। দুই পক্ষ মনে করেন, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব শক্তিশালী হলে তা উভয় দেশের জনগণের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ দক্ষিণ এশিয়ায় সবুজ ও টেকসই উন্নয়ন অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করেন।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

‘কবিরাজ’ সেজে বাসায় গিয়ে স্বর্ণ লুট, গ্রেপ্তার ২

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল পাসের আগে শরিয়াহ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর দাবি

ইনসাফভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কাফরুল থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার যুথী কারাগারে

সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী, পাস না করার আহ্বান জামায়াত এমপির

রাজধানীতে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি, আটক ১

অক্টোবরে ডেঙ্গুর বড় ধাক্কা সামলাতে এখনই নামতে হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের ডাকঘর আধুনিকায়নে চীনা কোম্পানির বিনিয়োগের প্রস্তাব: মন্ত্রী

সংঘর্ষ নয়, সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: রাষ্ট্রপতি

মুয়াজ্জিনদের দক্ষতা উন্নয়নে আস-সুন্নাহর প্রশিক্ষণ