হোম > জাতীয়

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের জেতার সম্ভাবনা কম

কূটনৈতিক রিপোর্টার

বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জাতিসংঘের ৮০তম অধিবেশন চলাকালে বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা চলছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, আগামী বছর অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম।

এই নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে অংশ নিচ্ছে ফিলিস্তিন। বর্তমানে ফিলিস্তিনে চলমান ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে সারা বিশ্বে ফিলিস্তিনের পক্ষে ব্যাপক সহানুভূতি তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফ্রান্স, কানাডা, ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় দেশটি আরো আলোচনায় এসেছে। এ কারণে সহানুভূতিশীল দেশগুলোর পাশাপশি অধিকাংশ মুসলিম দেশের ভোট ফিলিস্তিনের পক্ষে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আসন্ন নির্বাচন থেকে বাংলাদেশের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা উচিত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বাংলাদেশ এই সিদ্ধান্ত নিলে ফিলিস্তিনের প্রতি তার সমর্থন আরো বৃদ্ধির পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে।

বাংলাদেশ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলে ফিলিস্তিনের জয় এক প্রকার নিশ্চিত। কারণ তখন ফিলিস্তিনের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বি থাকবে সাইপ্রাস। দেশটির খুব বেশি সমর্থন নেই।

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রার্থিতা প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের মুখোমুখি, এটা হেডলাইন লেখা হয়েছে। এটা লেখা উচিত ছিল ফিলিস্তিন বাংলাদেশের মুখোমুখি। কারণ, আমরা চার বছর আগেই প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিলাম।

তিনি বলেন, ‘আমি ঠিক জানি না, আমাদের সাংবাদিকেরা কেন বিষয়টিকে এভাবে আনেন, তা আমি ঠিক জানি না। হেডলাইন লেখা হয়েছে: বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের মুখোমুখি। আমরা চার বছর আগেই প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিলাম। আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল সাইপ্রাসের সঙ্গে। অনেক পরে এসে ফিলিস্তিন প্রার্থিতা ঘোষণা করে এবং আমাদের সঙ্গে তারা যোগাযোগও করেনি। যোগাযোগ করাটা স্বাভাবিক ছিল।’

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনকে মনোনীত করা হয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সাধারণত পাঁচটি আঞ্চলিক গ্রুপ থেকে পালাক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন। এবার এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পালা। এই অঞ্চলের তিন দেশ বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন ও সাইপ্রাসের প্রতিনিধিরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জানা গেছে, বাংলাদেশ পাঁচ বছর আগে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রার্থিতা ঘোষণা করে।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী। ঠিক ৪০ বছর পরে এবার আবারও বাংলাদেশ এই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

যোগাযোগ খাতে মার্কিন বিনিয়োগ-সহায়তার আশা মন্ত্রীর, দৃঢ় প্রত্যয় রাষ্ট্রদূতের

ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডিএনএ ল্যাবরেটরি করা হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দেশে ৫ দিনে ১১৭ বিল পাসের রেকর্ড এই প্রথম: চিফ হুইপ

ব্যাংকগুলোকে ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণে কঠোর নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের

গণতন্ত্র একটি আস্থার জায়গা: চিফ হুইপ

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জার্মানি ও সুইডেন রাষ্ট্রদূতের পৃথক বৈঠক

রাজধানীতে ‘কিশোর গ্যাং নেতা ইমনকে’ কুপিয়ে হত্যা

ধর্ম অবমাননার নামে দেশে জাহেলিয়াতের যুগ ফিরিয়ে আনা যাবে না

১৭ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ দ্রুত হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিতে পারবে