হোম > জাতীয়

সৌদিতে আটকে পড়া প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে আলোচনা চলছে: প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

সৌদি আরবের রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় আটকেপড়া বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে দেশটির সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তবে এই আলোচনার পরিবেশ বর্তমানে কিছুটা কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সৌদি আরব নিজেই এখন একটি দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তবুও আশা করা যাচ্ছে এর একটি ইতিবাচক সমাধান মিলবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অভিবাসী কর্মী নিয়ে কাজ করা গবেষণা সংগঠন ‘রামরু’-র একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এর আগেও প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে তারা যেন নিরাপদে কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু গত রোববারের অনভিপ্রেত ঘটনার পর থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হয়েছে। মূলত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এ ধরনের ক্ষেত্রে সবসময়ই আন্তরিকতা দেখিয়ে থাকে। বর্তমানে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার উপক্রম হয়েছে, তাদের বিষয়ে বিগত দিনের মতো আলোচনার মাধ্যমেই সমাধানের চেষ্টা চলছে, যাতে তারা ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে পুনরায় কর্মসংস্থানে যোগ দিতে পারেন।

সৌদির ঘটনায় হতাহত প্রবাসীদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রিয়াদে বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি গুরুতর হতাহত হয়েছেন। ঘটনার পর থেকেই রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। রাষ্ট্রদূত নিজে এবং দূতাবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন প্রবাসীদের খোঁজখবর নিয়েছেন। যুদ্ধপরিস্থিতির শুরু থেকেই সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো আমাদের নাগরিকদের চিকিৎসা প্রদান এবং নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠাতে সব ধরনের আন্তরিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সৌদি আরব আমাদের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু রাষ্ট্র। এই দুর্যোগের দিনে শুধু তাদের কাছে সহায়তা চাওয়া নয়, তাদের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। পাশাপাশি সরকার নিজস্ব উদ্যোগে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ও আটকেপড়া কর্মীদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী কিছু বিদেশি কোম্পানি তাদের নিয়ম অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে। এছাড়া ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (বিএমইটি) মাধ্যমে নিবন্ধনভুক্ত কোনো কর্মী প্রবাসে মারা গেলে সরকার প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে।

মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৭৫ শতাংশই মধ্যপ্রাচ্যমুখী এবং এর অর্ধেকের বেশি যায় সৌদিতে। যুদ্ধের কারণে গত কয়েক মাসে দেশটিতে কর্মী পাঠানোর হার কিছুটা কমলেও তা আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না বলেই আমাদের প্রত্যাশা।

প্রবাসীদের আইনি সমস্যা সমাধানে বিশেষায়িত আদালত গঠনের পরিকল্পনা

৩৫ বছরের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না: আইনমন্ত্রী

বিমানবাহিনীর এফএম-৯০ লাইভ মিসাইল ফায়ারিং মহড়া সম্পন্ন

সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ

রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

সৌদিতে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের সার্বক্ষণিক খোঁজ রাখা হচ্ছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের ছাড় নয়: ডিএমপি কমিশনার

বিমানবন্দরে হেনস্তার পর ড. ইউনূস সম্পর্কে যা জানালেন লামিয়া মোরশেদ

টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা বাংলাদেশ রেলওয়ের