হোম > জাতীয়

জ্বালানি সংকট নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যে বিরোধীদলীয় এমপিদের প্রতিবাদ

জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নোত্তর

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় সংসদে সম্পূরক একটি প্রশ্নের জবাবে জ্বালানি সংকট নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের বক্তব্যের সময় তীব্র প্রতিবাদ জানান বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা। একপর্যায়ে স্পিকারের অনুরোধে তারা শান্ত হলে বক্তব্য শেষ করেন প্রতিমন্ত্রী।

সোমবার বিকেলে সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্নটি করেন ঢাকা-১৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাশেম।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে সম্পর্কের স্থপতি হচ্ছে শহীদ জিয়াউর রহমান। আজকে সেই মধ্যপ্রাচ্যে আগুন জ্বলছে। যুদ্ধ বিগ্রহে আমাদের বাংলাদেশের নাগরিক সেখানে মৃত্যুবরণ করেছে। জ্বালানি সংকটে জ্বালানি বিক্রির বিষয়ে বিরোধ নিয়ে বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই তিনজন লোকের মৃত্যু হয়েছে।

জিয়াউর রহমানের সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এই সংকট নিরসনে কি ভুমিকা পালন করছেন? পররাষ্ট্রমন্ত্রী সারাবিশ্বে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, জাতিসংঘের প্রেসিডেন্সি পদে..। আমাদের জ্বালানি সংকটে তিনি কি ভূমিকা পালন করছেন আমরা জানি না।

প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম ব্যারিস্টার আরমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তিনি বহু নির্যাতনের পর সংসদ সদস্য হয়েছেন-এজন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি। কিন্তু তিনিতো ব্যারিস্টার, ওনার সম্পূরক প্রশ্নের অর্থ বোঝা উচিত। কারণ-সম্পূরক প্রশ্নে এটা ছিল না। তবে আমার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত তার একটি বিষয়ে উত্তরে বলতে পারি-জ্বালানির কোনো সংকট বর্তমানে বাংলাদেশে নেই।

এ সময় বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের অনেকে হাত উঁচু করে উচ্চস্বরে তীব্র প্রতিবাদ জানান। প্রতিমন্ত্রীর মাইক বন্ধ করে স্পিকার এ সময় প্রতিবাদকারীদের শান্ত থাকার আহবান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রীকে বক্তব্য অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় বলেন, জ্বালানি যাতে একাধিক সোর্স থেকে আমরা সরবরাহ করতে পারি, সেজন্য ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার আমাদের সঙ্গে বসেছেন। জ্বালানি, পররাষ্ট্রসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তিনি বসেছেন। আমরা মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও যেসব সোর্স থেকেও যাতে জ্বালানি আনতে পারি, সে ব্যাপারে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ আমরা সেটাতে সফল হবো।

দ্বিতীয়ত হচ্ছে-আমরা প্রথম থেকেই বলে আসছি, যখন এই যুদ্ধটা লেগেছে, বাংলাদেশ সরকারের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে, প্রথম প্রাধান্য হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেটা আমাদের মিশনগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের যে পাঁচজন ভাই মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের দুইজনের মৃতদেহ সফলভাবে দেশে আনতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, অবস্থাটা বুঝতে হবে-মধ্যপ্রাচ্যে অনেক জটিল অবস্থা বিরাজ করছে। কখন কোথায় যুদ্ধ লাগে, আমাদের বাংলাদেশিরা তখন বুঝতে পারে না। এরমধ্যেও আমরা ১৮৬ জন বাংলাদেশিকে নিরাপদে তেহরান থেকে আইওএমের সহযোগিতায় একটি চার্টার্ড বিমানের ফ্লাইটে ফেরত এনেছি। সুতরাং বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশি নাগরিকরা পৃথিবীর যে যেখানে আছে, নিরাপদে আছে কিনা সেটাই এখন আমাদরে একমাত্র প্রায়োরিটি।

মেধার স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করে তোলে: ড. খালিদ

গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের ছবি-নাম ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আইডি তৈরি, গ্রেপ্তার ১

সৌদির হজ ও উমরাহ মন্ত্রীর সাথে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদের বৈঠক

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ৭ জুন

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মেয়াদ কমিয়ে ৩ বছর করার সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা

সারাদেশে আরো বৃষ্টির পূর্বাভাস, বাড়তে পারে ভ্যাপসা গরম

কুচক্রীমহল সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার করছে

যুবশক্তিকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরে বিএনসিসিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ

তেলের ঘাটতি নেই, আগের চেয়ে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানিমন্ত্রী

পুলিশ হত্যার বিচারের বিষয়ে সংসদে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী