সেমিনারে পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে সুরক্ষা দিতে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন ও বন্যার মতো দুর্যোগ মোকাবিলায় উপকূলজুড়ে শক্তিশালী সবুজবেষ্টনী তীর করা হবে। পাশাপাশি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার স্থাপন এবং সমন্বিত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘ভয়াল ২৯ এপ্রিল ৯১’ স্মরণে আয়োজিত ‘উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর ছয়টি মারাত্মক দুর্যোগপ্রবণ এলাকার অন্যতম। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় ছিলো বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড়। যা আঘাত হেনেছিল উপকূলীয় ভূখণ্ডের কক্সবাজার, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, চকরিয়া, সন্ধীপ, সীতাকুণ্ড ও হাতিয়ায়। সে সময় নবগঠিত সরকার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দূরদর্শিতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছিল।
সরকারের খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করছে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, পুকুর এবং জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে যা উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেষ্টনী তৈরি করবে।
অনুষ্ঠানে উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মো. মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মওলানা জহিরুল ইসলাম এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।
এএস