হোম > জাতীয়

শ্রম অসন্তোষে ঝুঁকিপূর্ণ ৩১ চা বাগান: সংসদে বাণিজ্যমন্ত্রী

সংসদ রিপোর্টার

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর চা বাগানে শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া মজুরিকে কেন্দ্র করে শ্রম অসন্তোষ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে ৩১টি চা বাগানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সিক্ বা রুগ্ন চা বাগান চিহ্নিত করার বিষয়ে বর্তমানে কোন নীতিমালা না থাকায় সিক্ গার্ডেন চিহ্নিত করা নেই। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কিছু চা বাগানের মালিক বাগান রেখে পালিয়ে যায়। এতে বাগান ব্যবস্থাপনায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় এবং অনেক বাগানে শ্রমিক মজুরি সঠিকভাবে পরিশোধ না করায় শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়; যা জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর এর গত ১৮ মে ২০২৫ তারিখের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উক্ত সংস্থা কর্তৃক চা বাগানে শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া মজুরিকে কেন্দ্র করে শ্রম অসন্তোষ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রতিবেদনে নিম্নোক্ত ৩১টি চা বাগানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়; যেমন: তারাপুর চা বাগান, প্রেমনগর চা বাগান, বিজয়া চা বাগান, পাত্রখোলা চা বাগান, মাধবপুর চা বাগান, মদনমোহনপুর চা বাগান, কুরমা চা বাগান, চম্পারায় চা বাগান, বুরজান চা বাগান, ছড়াগাং চা বাগান, কাগাগুল চা বাগান, গুলনী চা বাগান, লোভাছড়া চা বাগান, লাক্কাতুরা চা বাগান, দলদলী চা বাগান, কেওয়াছড়া চা বাগান, ইমাম চা বাগান, বাওয়ানী চা বাগান, নোয়াপাড়া চা বাগান, দেউন্দি চা বাগান, লালচান চা বাগান, চন্ডিছড়া চা বাগান, পারকুল চা বাগান, সাতছড়ি চা বাগান, ফুলতলা চা বাগান, মাথিউড়া চা বাগান, রাজনগর চা বাগান, আজগরাবাদ চা বাগান, মুরাইছড়া চা বাগান, মিরতিংগা চা বাগান, দেওরাছড়া চা বাগান।’

বাগানগুলোর শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধসহ শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে বাংলাদেশ চা বোর্ডের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি জানান, বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় বন্ধ হয়ে যাওয়া বুরজান ও ফুলতলা চা বাগান পুনরায় চালু করাসহ, শ্রমিকদের মজুরি ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়। এ ছাড়া শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের লক্ষ্যে চা বোর্ডের শ্রমিক কল্যাণ তহবিল হতে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। বর্তমানে বুরজান ও ফুলতলা চা বাগানের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ন্যাশনাল টি কোম্পানির (এনটিসি) ১২টি বাগানের শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধের লক্ষ্যে বাগানে মজুদ থাকা অবিক্রীত চা বিশেষ ব্যবস্থায় রপ্তানির ব্যবস্থা করা হয়। চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি এবং শ্রমকল্যাণ বিষয়ে সরকার যথেষ্ট আন্তরিক রয়েছে। বর্তমানে দেশের চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরির পাশাপাশি রেশন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, প্রাথমিক শিক্ষা, বাসস্থান, সুপেয় পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা, উৎসব ভাতা, পেনশন ভাতা, ভবিষ্যৎ তহবিল, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও ভাতা প্রদান করা হয়।

ইতোমধ্যে সরকার ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের জন্য কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিটি চা শ্রমিক পরিবারের নিকট এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছানো গেলে চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও কল্যাণে তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন মতে দেশের চা বাগানসমূহের মধ্যে বর্তমান রুগ্ন বা সিক গার্ডেন হিসেবে কোন শ্রেণী নেই। তাই বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক রুগ্ন বাগান চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি।

মওদুদীর তাত্ত্বিকতা থেকে জামায়াত যত দূরে সরবে, ততই বিপর্যয়ে পড়বে

বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যেই বর্তমান বাজেট: চিফ হুইপ

রাজধানীতে ৪৪৫টি ভূমিকম্প আশ্রয়স্থল ঘোষণার প্রক্রিয়া চলছে

বর্তমানে বাণিজ্য ঘাটতি ২৪ হাজার ১৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

যে কারণে আজকের দিনকে বেদনাবিধুর বললেন তাজুল ইসলাম

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে যোগ দিতে রাতে বেইজিং যাচ্ছেন তথ্যমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর সাথে এফএলজেএফের নতুন কমিটির সাক্ষাৎ

একজন শহীদ মাতা, এটি খেয়াল রেখে বক্তব্য রাখবেন: আইনমন্ত্রীকে স্পিকার

৩ মাস বেতন পাচ্ছেন না জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মীরা