হোম > জাতীয়

ভোটে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে নাশকতার আশঙ্কা

গোয়েন্দা প্রতিবেদন

স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে নাশকতা সৃষ্টির আশঙ্কা করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এ প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণসহ একাধিক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়। ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শাহীনুল ইসলাম রিটার্নিং কর্মকর্তা, সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র‍্যাব, বিজিবি, আনসার ও কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন সামনে রেখে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাদের বহির্গমন সম্পূর্ণভাবে স্থগিত রাখতে হবে। এপিবিএনের চেকপোস্টগুলোতে শতভাগ পরিচয় যাচাই ও তল্লাশি জোরদার করা হবে। নির্বাচনের আগের দিন ও ভোটের দিন ক্যাম্পের ভেতরে সিএনজি, অটো ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে থেকে ক্যাম্পে সক্রিয় সব সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ও রোহিঙ্গা সংগঠনের সভা-সমাবেশ স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে। রোহিঙ্গারা যেন কোনোভাবেই নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত না হয়, সে বিষয়ে মসজিদের ইমাম ও মাঝিদের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদারে মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল বৃদ্ধি এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীর গতিবিধির ওপর বিশেষ নজরদারির কথা বলা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে দেশি-বিদেশি এনজিও, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিদেশি দর্শনার্থীদের ক্যাম্প পরিদর্শন সীমিত বা নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনাও রয়েছে।

নির্বাচনি প্রচারের সময় রোহিঙ্গা শ্রমিক নিয়োগ বন্ধে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত জনসমাগম এড়াতে বালুখালী, লেদা ও নয়াপাড়া ক্যাম্পসংলগ্ন বড় বাজারগুলো নির্বাচনের আগের দিন, ভোটের দিন ও পরদিন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

ক্যাম্পে পর্যাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক বিচার নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ রয়েছে। মরিচ্যা, রেজুখাল ও হোয়াইক্যং চেকপোস্টসহ ক্যাম্পের আশপাশে এপিবিএন ও বিজিবির যৌথ নজরদারি জোরদার করতে হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের কোনো ধরনের নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত না করতে সব রাজনৈতিক দলকে সতর্কবার্তা দিতে হবে। প্রার্থীদের পক্ষে প্রচার, অর্থের বিনিময়ে জাল ভোট প্রদান বা বিরোধী প্রার্থী দমনে রোহিঙ্গা ব্যবহারের ঝুঁকি ঠেকাতে এপিবিএন ও সিআইসির সমন্বয়ে ক্যাম্পে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের আগে ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে যৌথ অভিযান পরিচালনা, নির্বাচনকেন্দ্রমুখী সড়কে চেকপোস্ট স্থাপন এবং রোহিঙ্গাদের ভোট প্রদান ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময়ে সিআইসি ও এপিবিএন সদস্যদের ক্যাম্পের বাইরে অন্য কোনো দায়িত্ব না দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পের সীমানা প্রাচীর ও সিসি ক্যামেরা মেরামত, বিদেশি নাগরিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্মকর্তাদের অবাধ চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্গম এলাকা পরিদর্শনে নিরুৎসাহিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বর্তমানে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে মিয়ানমার থেকে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রও পেয়েছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৮ কর্মকর্তাকে বদলি

নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থীকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ ইসির

২০ ফেব্রুয়ারি বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

স্বায়ত্তশাসন পেল না বাংলাদেশ ব্যাংক, হতাশ কর্মকর্তারা

প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবা পৌঁছে যাবে নাগরিকের কাছে

এনআইডি দিয়েই জানুন আপনার ভোটকেন্দ্রের নাম ও নম্বর

১৮৪ দেশে বাংলাদেশের পতাকা উড়ানো নারীকে ইউএস-বাংলার স্বীকৃতি

এলপিজিতে কর কাঠামো পুনর্গঠন, আমদানি পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ

গুরুতর আহত ৪৭৪ জুলাইযোদ্ধার গেজেট প্রকাশ

স্বামী হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে হাদির স্ত্রী